মমতার প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসা হাসিনার, তিস্তা জলবণ্টন নিয়ে উভয়েই স্পিকটি নট
এপার-ওপার দুই বাংলার দুই কাণ্ডারি বৈঠকে বসেছিলেন। স্বভাবতই বৈঠকে কী হয়, তা নিয়ে সবারই আগ্রহ ছিল। বিশেষ করে আগ্রহ ছিল তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে উভয়ে কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হন কি না।
এপার-ওপার দুই বাংলার দুই কাণ্ডারি বৈঠকে বসেছিলেন। স্বভাবতই বৈঠকে কী হয়, তা নিয়ে সবারই আগ্রহ ছিল। বিশেষ করে আগ্রহ ছিল তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে উভয়ে কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হন কি না। কিংবা কোনও আলোচনা হয় কি না। উভয়েই সেই সম্ভাবনায় জল ঢেলে দিলেন। তবে উভয়ে যে উভয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, তা জানাতে ভুললেন না কেউ।

কলকাতায় এসেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সৌরভের আমন্ত্রণে তাঁর এপার বাংলায় আসা। ইডেনে গোলাপী টেস্টের উদ্বোধনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিনিও উপস্থিত ছিলেন। তারপর দুই নেত্রী বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে একে অপরের প্রশাংসয় পঞ্চমুখ হন।
শেখ হাসিনা যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রী ও রূপশ্রী প্রকল্পের ভঊয়সী প্রশংসা করেন, তেমনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রশংসা করেছেন তাঁর হাসিনাদির। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আগে গরবি ছিল। সেই দেশে ব্যাপক আর্থিক উন্নতি করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। এদিন কলকাতায় বঙ্গবন্ধু ভবন নির্মাণ নিয়েও উভয়ে কথা বলেন।
দুজনের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। দুই বাংলার নাড়ির যোগের কথা তাই বারবার উঠে এসেছে তাঁদের মধ্যে। ইডেনে গোলাপী টেস্টের উদ্বোধনের পর উভয়ে একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ সেরেছেন। তারপর পাঁচতারা হোটেলে বৈঠক হয় দুই নেত্রীর। কিন্তু তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে তাঁদের মধ্যে কোনও আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিয়ে উভয়েই স্পিকটি নট। এনআরসি প্রসঙ্গেও কোনও কথা হয়নি বলে জানান উভয়ে।
মমতা বলেন, একেবারেই ঘরোয়া আলোচনা হয়েছে। রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক স্তরের কোনও আলোচনা হয়নি। ওনাকে আবার আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছি। হাসিনাও জানান, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। এখানে আসতে তাই খুব ভালো লাগে। আর সেটা যদি কলকাতা হয় তো আর ভালো লাগে। মুজিবর রহমানের সময় থেকেই আমরা কৃতজ্ঞ চিত্তে ভারতের ভূমিকা স্মরণ করি। ভারত ১ কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications