ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

রবীন্দ্রনাথ-বিবেকানন্দের বাংলায় এসব হচ্ছেটা কী! মমতাকে নিশানা অমিত শাহের

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    রবীন্দ্রনাথ-বিবেকানন্দের বাংলায় এসব কী সংস্কৃতি এল! ছ-বছরের শিশুর বুকে নির্মমভাবে গুলি করা হচ্ছে! প্রতিবাদ করলেই ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের রাজনীতি চলছে। রাজ্যের বর্তমান সরকারের আমলে আক্রান্ত হচ্ছেন বিরোধীরা। পশ্চিমবঙ্গের মতো এত রাজনৈতিক হিংসা অন্য কোনও রাজ্যে নেই।

    রবীন্দ্রনাথ-বিবেকানন্দের বাংলায় এসব হচ্ছেটা কী! মমতাকে নিশানা অমিত শাহের

    মঙ্গলবার আইসিসিআর-এ আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি অমিত শাহ। সেই বৈঠকে তিনি আক্রান্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়ান। অত্যাচার সহ্য করেও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। মনোবল বাড়াতে পাশে থাকার পরামর্শ দেন।

    বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধির সামনে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় সমালোচনা করেন বাংলার মমতা-সরকারের। অমিত শাহ বলেন, 'বাংলায় খুন, জখম, হিংসার রাজনীতি চলছে। মানুষ আক্রান্ত। আক্রান্ত বিরোধীরা। শাসকপক্ষ ত্রাস ছড়াচ্ছে। এমতাবস্থায় এই সরকারের আর শাসন চালানোর অধিকার নেই।বাংলার সংস্কৃতি রক্ষা করার জন্যই এই সরকারকে গদিচ্যুৎ করতে হবে।'

    তিনি আরো বলেন, 'মানুষের ঘরে ঢুকে ভাঙচুর চালানো হচ্ছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রবীন্দ্রনাথ-বিবেকানন্দের বাংলায় এই সংস্কৃতি কাম্য নয়। অথচ এত রাজনৈতিক হিংসা বাংলার মতো অন্য কোনও রাজ্যে হয় না। এখানে ছ'বছরের শিশুকেও গুলি করা হয়। এসব বন্ধ হওয়া জরুরি। সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে হবে। আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।'

    উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলের অবস্থান ও সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করতে অমিত শাহের এটি দ্বিতীয় বাংলা সফর। তিনি সোমবার দলের জেলা সংগঠনের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক করেছেন। এদিন আইসিসিআর-এ আক্রান্তদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক করেন বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গেও। মমতার পাড়ায় এদিন আক্রান্ত দলীয় কর্মীর বাড়িতে তিনি মধ্যাহ্নভোজ সারেন। তৃণমূলকে চাপে রাখতেই অমিত শাহের কর্মসূচি রাখা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়।

    English summary
    Amit Shah stands for party-workers, criticizes to Mamata’s Government in violence

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more