একের পর এক ধাক্কা! বিজেপিতে যোগদানের পথে আরও এক তৃণমূল বিধায়ক
একের পর এক ধাক্কা!বিদ্রোহ তৃণমূলে। বিজেপিতে যোগদানের পথে আরও এক তৃণমূল বিধায়ক। সাতসকালে মুকুল রায়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন বাচ্চু হাসদা। এরপরেই তাঁর বিজেপি যোগ ঘিরে জল্পনা বাড়ছে
সোমবার সকালে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশের পরদিনই, সোমবার 'মেগা' যোগদান পর্ব রয়েছে। আর দিলীপের এই মন্তব্যের পরপরই জল্পনা তৈরি হয়েছে, সেই যোগদান পর্বে কারা কারা আসতে চলেছেন গেরুয়া শিবিরে? তা নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়। এরপর বেলা গড়াতেই একের পর এক নাম সামনে আসতে থাকে। ক্রমশ লম্বা হয় তালিকা।

বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তপনের বিধায়ক!
গত কয়েকদিন আগেই প্রারতজি তালিকা প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম বাদ গিয়েছে অনেকের। স্বভাবতই ক্ষোভ দলে। নাম বাদ যাওয়া একের পর এক তৃণমূল বিধাইয়ক রীতিমত বিদ্রোহ দেখাচ্ছেন। ভোটের আগে যা কিনা অস্বস্তি বাড়িয়েছে দলের। শুধু বিদ্রোহ করাই নয়, একের পর এক নেতা লাইন দিচ্ছেন মুকুল রায়ের বাড়িতে। সোমবার সকালেই মুকুল রায়ের সঙ্গে দেখা করেন তপনের বিধায়ক বাচ্চু হাঁসদা। দীর্ঘক্ষণ মুকুল রায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর বেরিয়ে তিনি জানান, দল টিকিট দেয়নি।। সে বিষয়ে ক্ষোভ জানাতেই মুকুল রায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ বলে দাবি বাচ্চু হাঁসদার। তবে বিজেপিতে যোগদান নিয়ে কোনও কথাই তাঁদের হয়নি বলে দাবি।

যে কোনও দিন যোগ দিতে পারেন
তবে যে কোনও দিন বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বাচ্চু হাঁসদা। বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়েছেন মুকুল রায়। তিনি বলেন, বাচ্চু হাঁসদার সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ। কিন্তু তাঁকে এবার টিকিট দেয়নি দল। সে বিষয়ে ক্ষোভ জানাতেই বাচ্চু হাঁসদা তাঁর কাছে এসেছিল বলে দাবি মুকুলের। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি কার্যত মুকুল রায় স্বীকার করে নিলেও প্রার্থী তাঁকে করা হবে কিনা সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি এই বিজেপি নেতা।

বাড়ি নিয়ে প্রশান্ত কিশোরের রোষানলে পড়েন বাচ্চু
গত কয়েকমাস আগে দলের সমস্ত বিধায়ক, মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোর। আর সেই বৈঠকেই প্রশান্ত কিশোরের তোপের মুখে পড়েছিলেন বাচ্চু। মোবাইল ফোনে বিধায়কের বাড়ির ছবি দেখিয়ে পিকে বলেছিলেন- বাচ্চুবাবু আপনি তো আদিবাসী নেতা। আপনার বাড়ির আশপাশে সবার ছোট ছোট বাড়ি। আর আপনি বিশাল প্রাসাদ বানিয়ে ফেলেছেন। লোকজন তো অনেক কিছুই বলছেন। শুধু তাই নয়, বিলাসবহুল বাড়ি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু খুব একটা ভালো উত্তর দিতে পারেননি তৃণমূলের এই বিধায়ক। এবার তাঁর টিকিট না পাওয়ার অন্যতম কারন এটাই হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

তালিকায় নাম থাকার পরেই বিজেপিতে তৃণমূল প্রার্থী
৫ মার্চ শুক্রবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। সেই তালিকায় রাখা হয়েছিল মালদহ জেলাপরিষদের প্রাক্তন সভাধপতি সরলা মুর্মুকে। তাঁকে হবিবপুর থেকে প্রার্থী করে তৃণমূল কংগ্রেস। এলাকায় দেওয়াল লিখনও শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার পরেও তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে প্রার্থী হওয়ার পরেও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ঘটনা এবার প্রথম।
৫ মার্চ শুক্রবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। সেই তালিকায় রাখা হয়েছিল মালদহ জেলাপরিষদের প্রাক্তন সভাধপতি সরলা মুর্মুকে। তাঁকে হবিবপুর থেকে প্রার্থী করে তৃণমূল কংগ্রেস। এলাকায় দেওয়াল লিখনও শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার পরেও তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে প্রার্থী হওয়ার পরেও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ঘটনা এবার প্রথম।সূত্রের খবর অনুযায়ী, হবিবপুর থেকে প্রার্থী করা হলেও, তাঁর পছন্দের কেন্দ্র ছিল পুরাতন মালদহ। তিনি এব্যাপারে দলীয় নেতৃত্বকে বলেছিলেন। কিন্তু দল তাতে কান দেয়নি। ফলে তাঁর দলবদল আগেই নিশ্চি হয়ে গিয়েছিল। রবিবার হবিবপুরে তৃণমূলের তরফে করা আদিবাসীদের সমাবেশে তিনি হাজির হননি বলেই জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications