মুকুল তৃণমূলে ফেরায় ত্রিপুরা বিজপিতেও ভাঙনের আশঙ্কা
মুকুল তৃণমূলে ফেরায় ত্রিপুরা বিজপিতেও ভাঙনের আশঙ্কা
পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু বিজেপি নেতার তৃণমূলে ফেরা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে৷ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতারা বিজেপিতে থেকেই কেন্দ্রের নীতির বিরোধিতা শুরু করেছেন মমতাকে সমর্থন করে৷ বঙ্গ-বিজেপিতে ভাঙন স্পষ্ট হচ্ছে। কিন্তু মুকুলের প্রত্যাবর্তনের আঁচ কী এসে পৌঁছবে বাংলা ছাড়িয়ে প্রতিবেশী রাজ্য ত্রিপুরাতেও? জল্পনা শুরু হয়েছে সেটা নিয়েও

২০১৭ তেই মুকুলের হাত ধরে ত্রিপুরা বিজেপিতে এসেছিলেন সুদীপ রায়বর্মণ৷ একসময় ত্রিপুরা তৃণমূলের মুখ ছিলেন সুদীপ। তারও আগে ছিলেন কংগ্রেসের হয়ে ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতা। বাঙালি অধ্যুষিত প্রতিবেশী রাজ্যটিতে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পেছনে সুদীপের যথেষ্ট গুরুত্ব ছিল। কিন্তু তারপর বিজেপিতে ধীরে ধীরে কোনঠাসা হয়ে পড়েম সুদীপ৷ হয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিপরীত লবির লোক৷
খাতায় কলমে এখনও বিজেপিতেই রয়েছেন সুদীপ৷ কিন্তু বিপ্লব দেবের বিরোধী হওয়ার জন্য খোয়াতে হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী পদ৷ এমনকি দলেরও কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়নি সুদীপকে৷ ' 'বুন্ধর নাম সুদীপ' নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তৈরি করে রাজ্য জুড়ে নিজের মতো কাজ করছেন মুকুল ঘনিষ্ট ত্রিপুরার এই বিজেপি নেতা৷ এমনকি ত্রিপুরাতে পৌর নির্বাচনে নতুন দল হিসেবে লড়াও প্রস্তুতি নিয়েছিল 'বন্ধুর নাম সুদীপ' সংগঠন৷
একুশে বঙ্গে মোদীকে আটকে দিয়েই থামতে চাইছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলকে সর্বভারতীয় দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন তিনি৷ ২০২৪ এর প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারকে লক্ষ্য রেখে এগোতে চাইছেন মমতা৷ আর সেক্ষেত্রে প্রতিবেশি বাঙালি রাজ্য ত্রিপুরা থেকেই শুরু করাটা তৃণমূলের পক্ষে সুবিধার৷ স্বাভাবিকভাবেই মুকুল তৃণমূলে ফিরে যাওয়ার পর তাঁর কাছের সুদীপ রায়বর্মণকে প্রয়োজন রয়েছে তৃণমূলের৷ একইভাবে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার জন্য সুদীপেরও প্রয়োজন রয়েছে তৃণমূল দলটাকে৷ এখন দেখার এই দুই প্রয়োজন একসঙ্গে মিশে ত্রিপুরা বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন ধরাতে পারে কিনা!












Click it and Unblock the Notifications