• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মালদহের বাসিন্দা আর এক মুসলমান শ্রমিকের মৃত্যু রাজস্থানে, ঘটনায় চাঞ্চল্য

গতবছরের শেষে মহম্মদ আফরাজুলের ভয়ানক হত্যার পর ফের এইবছরের শুরুতেই বাংলা থেকে রাজস্থানে কাজ করতে যাওয়া আর এক মুসলমান শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু হল। যা নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে।

মালদহের বাসিন্দা আর এক মুসলমান শ্রমিকের মৃত্যু রাজস্থানে, ঘটনায় চাঞ্চল্য

[আরও পড়ুন:হাত ধরতে বেনজির ভোটাভুটি! কংগ্রেসই এখন মুখ্য আলোচ্য সিপিএমের সিসিতে ]

মৃতের নাম সাকের আলি (৩০)। সেও মালদহের চাঁচলের বাসিন্দা। জয়পুরের শাস্ত্রী নগর এলাকার নারিখানায় গত বুধবার তাঁকে রহস্যজনকভাবে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সাকের আলিকে জ্বালিয়ে খুন করার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া ধারালো অস্ত্র দিয়েও আঘাত করা হয়েছে। যদিও রাজস্থানের পুলিশ এই ঘটনাকে খুন বলে মানতে নারাজ।

যদিও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও সাকেরের পরিবার এই মৃত্যুকে খুন বলেই দাবি করেছেন। বুধবার আলির দেহ মেঝেয় পড়া অবস্থায় উদ্ধার হয়। তার মুখে ও নাকে রক্তের দাগ ছিল। দেহে পোড়া দাগও ছিল। এমনই জানিয়েছেন আলির বাবা মহম্মদ গিয়াসুদ্দিন।

আলির পরিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে তদন্তের আর্জি জানাবেন। তাদের দাবি আলিকে খুন করা হয়েছে। রাজস্থান পুলিশ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

এর আগে মহম্মদ আফরাজুল নামে এক মধ্যবয়স্ককে কুঠার দিয়ে কুপিয়ে আগুন জ্বালিয়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হয়। সেই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন:বাংলা থেকে রেল লাইন তুলছেন মোদী! মুকুলের জবাবদিহি চাইলেন রাজীব]

English summary
After Afrajul another Muslim worker from West Bengal's Malda found dead in Rajasthan
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more