• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

'দিদি'র রঙে রঙ মেলাতে হবে, তাহলেই সম্পত্তি কর মুকুব!

'দিদি'র রঙে রঙ মেলাতে হবে, তাহলেই সম্পত্তি কর মুকুব!
কলকাতা, ১০ জুন : আপনি যদি চান ২০১৪-১৫ সালের জন্য আপনার সম্পত্তি কর মুকুব হোক, তাও অসম্ভব কিছু নয়। আপনাকে শুধু আপনার বাড়িটি বা বহুতলটিকে সাদা-নীল রঙে ঢাকতে হবে। আহা মজা নয়, এটাই সত্যি। মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের এই প্রস্তাব সোমবার মেয়র পারিষদের বৈঠকে গৃহীতও হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের পছন্দের রং নীল-সাদা। দিদিকে তুষ্ট করতে ফ্লাইওভার, ব্রিজ থেকে শুরু করে সরকারি নানা স্থানে সাদা-নীলের 'প্রকোপ' বাড়ছে। এবার তো দিদির পছন্দ ব্যক্তিগত সম্পত্তিতেও গেড়ে বসতে চাইছে।

এরম ধরণের প্রস্তাব এর আগেও বৈঠকে উঠেছিল। কিন্তু যে পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। যুক্তি ছিল, কলকাতার মতো একটি শহরে এধরণের প্রস্তাব সম্ভবপর নয়। বহু বছর ধরে একটু একটু করে গড়ে উঠেছে কলকাতা। গোটা শহরটাকে হটাৎ করে নীল সাদা রং করা সম্ভব নয়।

এর আগে শহরের ঐতিহ্যশালী বাড়িগুলিকে মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দের রঙে রঙ করতে দিয়ে নানা প্রতিবাদের মধ্যে পড়তে হয় সরকারি আধিকারিকদের। প্রখ্যায় মঞ্চশিল্পী গিরিশ ঘোষের বাড়ি পুনরুদ্ধার করে নীল-সাদা রং করতে চেয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের প্রতিবাদের মুখে পড়ে সে পরিকল্পনা বাতিল করতে হয়। পুরনো হলুদ রংই পরে করা হয় বাড়িটিতে।

কিন্তু এভাবে চললেও গোটা শহরকে তো আর নীল-সাদায় রাঙানো যাবে না। কারণ অধিকাংশই বসত বাড়ি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তি ফলে, তাতে রাজ্য সরকারের অধিকার নেই। কিন্তু সম্পত্তি কর মুকুবের লোভ দেখিয়ে এবার সেই বিপত্তিই দূর করার পন্থা বাতলেছেন মেয়র।

যদিও প্রাক্তন মেয়র বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের কথায়, কলকাতাপ পুরসভার আইন অনুযায়ী, এই অযৌক্তিক কারণের ভিত্তিতে কর মুকুব করা যায় না। তিনি বলেন, তুঘলক জমানায় এমনটা হতো। পুরসভা এই প্রস্তাব রাজ্য সরকারের কাছে পাঠাতে পারে। যদি সরকার চায় তাহলে বিধানসভায় বিল পাসের পরই এই আইন লাগু হতে পারে।

English summary
Adopting Mamata’s colour code will get homeowners tax sop
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more