পেটের খিদে বড় খিদে! সরকারে না থেকেও কীভাবে করছেন পরিযায়ী শ্রমিকদের সাহায্য, জানালেন অধীর

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফোন আসছে দিল্লির হুমায়ুন রোডের বাংলোয়। জিজ্ঞাসা সকলেই জিজ্ঞাসা করছেন হ্যালো,এটা কি করোনা সেন্টার?।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফোন আসছে দিল্লির হুমায়ুন রোডের বাংলোয়। জিজ্ঞাসা সকলেই জিজ্ঞাসা করছেন হ্যালো,এটা কি করোনা সেন্টার?। এরকম প্রশ্নই এখন থাকেন বহরমপুরের সাংসদ ও লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে পড়া বহু মানুষ ফোন করছেন তাঁর নম্বরে। দ্রুত সেই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াচ্ছেন কিংবা সাধ্যমতো দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন বহরমপুরের 'রবিনহুড'।

 দিনে গড়ে ২৭০ টা ফোন

দিনে গড়ে ২৭০ টা ফোন

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে থাকা গরিব মানুষ, তা তিনি যেখানেই আটকা পড়া হোন না কেন, সবার পাশেই দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন অধীর চৌধুরী। বেশিরভাগ ফোন আসছে গোয়া, কেরল, উত্তরাখণ্ড, মহারাষ্ট্র, বিহার থেকে। দিনে অন্তত ২৭০টা ফোন আসছে তাঁর কাছে। নিজের অফিসে বসে টিমের সঙ্গে মিলে সেই কাজগুলো আত্যন্ত সন্তর্পণে করে চলেছেন বহরমপুরের সাংসদ তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা।

যে ভাবে পরিস্থিতির সামাল

যে ভাবে পরিস্থিতির সামাল

খবর পেয়ে কখনও তিনি সরাসরি যোগাযোগ করছেন স্থানীয় মুখ্যসচিব, ডিজি, আইজি কিংবা জেলাশাসকদের সঙ্গে। কখনও মোবাইলে ধরছেন স্থানীয় কংগ্রেস বিধায়ক, সাংসদদের। রাজস্থান আর পঞ্জাবে তো দলের মুখ্যমন্ত্রীরা রয়েছেন। এছাড়াও নিজের পরিচিত বন্ধু বা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে আটকে পড়া শ্রমিকদের জন্য ব্যবস্থা করছেন খাবার, ওষুধ কিংবা অস্থায়ী বাসস্থানের।

ভাবছেন সবার কথা

ভাবছেন সবার কথা

দেশের এই দুর্দিনে সাধারণভাবে যেখানে সাংসদ, নেতা মন্ত্রীদের শুধুমাত্র নিজের এলাকার মানুষের জন্য এগিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে, সেই সময় অধীর চৌধুরীকে এগিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে সব আটকে পড়া শ্রমিকদের কল্যাণে। এ প্রসঙ্গে সাংসদ জানান, পেটের খিদে বড় খিদে। যারা বাইরে কাজে গিয়ে আটকে পড়েছেন, তাঁদের কাছে সেই পরিমাণ অর্থ নেই। আর টাকা থাকলেও উপায় নেই। তাই তাদের অন্তত পেট ভরার ব্যবস্থা টুকু করার চেষ্টা করছি। কারণ, এই সময় খাবার আর চিকিৎসা এটাই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ।

টুইটারে নয়, সরাসরি ময়দানে

টুইটারে নয়, সরাসরি ময়দানে

এখনও কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতাদের সেভাবে সরাসরি মানুষের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখা যায়নি। বরং টুইটারে কেন্দ্র সরকারের সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কাজ করে চলেছেন অধীর। যিনি ভারত সরকারের লকডাউনের সিদ্ধান্তের সমর্থন করলেও তাঁর মতে, যখন চিনে এই রোগ শুরু হল তখন থেকে যে দু থেকে আড়াই মাস সময় কেন্দ্র সময়, সেই সময়ে দেশের চিকিরসা পরিকাঠামো আরও একটু উন্নত করা যেত।

ত্রাণ তহবিলে সাহায্য

ত্রাণ তহবিলে সাহায্য

ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজেও তিনি যন্ত্রপাতি কেনার জন্য টাকা বরাদ্দ করেছেন অধীর চৌধুরী। এমপি ল্যাড থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ৩০ লাখ টাকা এবং একমাসের বেতন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দান করেছেন। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, নিজের এমপি ল্যাড থেকে এক কোটি টাকা করোনা প্রতিরোধে সরকারকে সাহায্য করবেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+