• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    চোখ উপড়ানো দেহ কাঠের মিলে, খুনের বীভৎসতা বাড়াতে মুখে অ্যাসিড, চাঞ্চল্য

    কাঠের মিল থেকে এক ব্যক্তির চোখ উপড়ানো দেহ উদ্ধার হল শিলিগুড়িতে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মৃতের নাম জগদীশ রায়। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি। পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। কিন্তু তাঁর একটি চোখ ছিল না, তা কেউ উপড়ে নিয়েছে। চোখ উপড়ানো ওই দেহ দেখেই আঁতকে ওঠেন শ্রমিকরা।

    চোখ উপড়ানো দেহ কাঠের মিলে, খুনের বীভৎসতা বাড়াতে মুখে অ্যাসিড, চাঞ্চল্য

    শিলিগুড়ি থানার পুলিশ জগদীশ রায়ের দেহ উদ্ধার করেছে। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে শিলিগুড়ি থানার পুলিশ। মৃত জগদীশের স্ত্রী কমলা রায়ের অভিযোগ, তাঁর স্বামীকে খুন করা হয়েছে। তবে পাঁচদিন নিখোঁজ সত্ত্বেও কেন কোনও নিখোঁজ ডায়েরি হল না, তা নিয়ে সন্দেহ দানা বেঁধেছে।

    [আরও পড়ুন: দেওর-বৌদিকে এক বিছানায় দেখে ফেলতেই বাধল গোল, মর্মান্তিক পরিণতি পরকীয়ায়]

    সেইসঙ্গে প্রশ্ন রাজমিস্ত্রি জগদীশ রায়ের দেহ কী করে কাঠের মিলের ভিতরে এল। মিলের চেরাই কলের সামনে পড়েছিল দেহটি। মৃতের চোখ উপড়ানো ছিল। নৃশংসতার শেষ এখানেই নয়। মৃতের মুখে ঢালা হয়েছিল অ্যাসিড। প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছে এটি একটি খুনের ঘটনা। মিল মালিকের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

    [আরও পড়ুন:ঘুম ভাঙতেই স্ত্রী দেখেন স্বামী বৌদির সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায়, তারপরের ঘটনা মর্মান্তিক ]

    অভিযোগ, ওই মিলে নানা অসামাজিক কাজকর্ম চলত। রাত বাড়লেই বাড়ত সমাজবিরোধীদের আনাগোনা। মদ থেকে জুয়ার আসর বসত, কিছুই বাদ ছিল না। মহিলারা ওই পথে যেতে ভয় পেত বলে অভিযোগ। পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে।

    English summary
    A man is murdered and his eye is uprooted from mouth at Siliguri. This brutal murder is occurred in wood mill,
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more