জলপাইগুড়িতে ২০ ফুটের পাইথনের কবলে আস্ত ছাগল, চাঞ্চল্য এলাকায়

  • Posted By: OneIndia Bengali Digital Desk
Subscribe to Oneindia News

    জলপাইগুড়ি, ১০ জুন : জলপাইগুড়ির গ্রামে ২০ ফুট লম্বা পাইথনের কবলে পড়েছিল একটি ছাগল। গ্রামবাসীরা না দেখলে প্রায় গিলেই ফেলত সেটিকে। তবে কয়েকজন দেখতে পাওয়ায় তা হয়নি। যদিও ছাগলটিকে বাঁচানো যায়নি।

    বাথরুমে বসে যৌনাঙ্গে ১০ ফুট পাইথনের কামড় খেলেন এক ব্যক্তি

    কামড়ে দেওয়া সাপকে জ্যান্ত গিলে ফেলল ঝাড়খণ্ডের সুরেন্দ্র

    ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে মল্লিকশোভা গ্রামে। অদূরে সোনাখালি জঙ্গলে ছাগলের চিৎকার শুনে ছুটে যান গ্রামবাসীরা। সেখানেই দেখা যায়, ২০ ফুটের পাইথনের কবলে পড়েছে একটি ছাগল।

    জলপাইগুড়িতে ২০ ফুটের পাইথনের কবলে আস্ত ছাগল, চাঞ্চল্য এলাকায়

    এরপর বিন্নাগুড়িতে বনদফতরের কর্মীদের বিষয়টি জানানো হয়। তবে অভিযোগ বনকর্মীরা গ্রামবাসীদের কথায় পাত্তা দেননি। এরপর গ্রামবাসীরাই পাইথনের কবল থেকে ছাগলটিকে বের করে আনেন। তবে ততক্ষণে মারা গিয়েছিল প্রাণীটি।

    পার্সেলে 'জ্যান্ত সাপ' পাঠিয়ে স্ত্রীর অফিসের পুরুষবন্ধুকে হুমকি

    অন্যদিকে পাইথনটিকে কব্জা করাই ছিল সবচেয়ে কঠিন কাজ। বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী মিলে ধরে পাইথনটিকে ব্যাগের মধ্যে ভরে দেয়। এরপর সেটিকে বন দফতরের আধিকারিক নারায়ণ করের তত্ত্বাবধানে জঙ্গলে ছেড়ে আসা হয়।

    এতসবের পরও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না কোনও বনদফতরের কর্মী। নারায়ণবাবু নিজেও বহুবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও বনকর্তাদের ফোনে ধরতে পারেননি।

    সাপের সঙ্গে 'সেলফি' তুলে হাসপাতালে

    পরে তিনি জানান, এই পাইথনটি আসলে বার্মিজ রক পাইথন। সাপেদের গোষ্ঠীর মধ্যে এটি সারা পৃথিবীতে অন্যতম বড়। এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ২০ ফুট। একসঙ্গে ১২ থেকে ৩৬টি ডিম পাড়তে পারে সাপটি। তবে এই সাপটি পুরুষ ছিল।

    আর যার ছাগলটি মারা গিয়েছে, সেই রহুল আমিন ও অন্য গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন, এটাই প্রথম নয়, এর আগে জঙ্গল থেকে সাপ বেরিয়ে অনেকগুলি প্রাণী খেয়েছে। প্রতিবছরই সাপের কবলে গরু, ছাগল, ভেড়ার মতো প্রাণী মারা যায়।

    English summary
    20-Foot Python 'Rescued' After Trying To Swallow A Goat In West Bengal

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more