• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

US Open: ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন অষ্টাদশী রাদুকানুর উত্থান চমকপ্রদ! গ্ল্যামার গার্লের পছন্দগুলি জানেন?

Google Oneindia Bengali News

ইউএস ওপেন খেতাব-জয়ী অষ্টাদশী এমা রাদুকানুকে নিয়ে টেনিস বিশ্ব মাতোয়ারা। ইংল্যান্ডের রানি-সহ সকলেই উচ্ছ্বসিত। ফ্লাশিং মিডোসে টিন-এজার ফাইনাল টেনিস বিশ্বকে নতুন তারার জন্ম দিলই বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেভাবে কয়েক মাসের মধ্যে বিশ্বের প্রথম সারির টেনিস তারকা হয়ে উঠলেন টরন্টোতে জন্মানো রাদুকানু।

অষ্টাদশীর বাজিমাত

১৯ বছরের লেইলা ফার্নান্ডেজকে আগেও হারিয়েছেন রাদুকানু। র‌্যাঙ্কিংয়ে ফার্নান্ডেজ এগিয়ে থাকলেও স্বপ্নের ফর্মে থাকা ব্রিটিশ অষ্টাদশীর সামনে ফ্লাশিং মিডোসে ফাইনালে তিনি কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি। রাদুকানু জিতলেন স্ট্রেট সেটে। খেলার ফল ৬-৪, ৬-৩। কোয়ালিফায়ার হিসেবে ওপেন এরায় প্রথম কোনও খেলোয়াড় হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাব জিতলেন রাদুকানু। কেরিয়ারের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যামে খেলতে নেমেই রাদুকানুর আগে কোনও মহিলা চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি। কেরিয়ারের তৃতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যামে ফাইনালে উঠেছিলেন ক্রিস এভার্ট ও ভেনাস উইলিয়ামস। যদিও দুজনেই হেরে যান। ২০০৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে উইম্বলডন খেতাব জিতেছিলেন মারিয়া শারাপোভা। বিশ্ব টেনিসের গ্ল্যামার গার্ল শারাপোভাকে মনে করালেন রাদুকানু। তিনি ইউএস ওপেন খেতাব জিতলেন ১৮ বছর বয়সে। অনেক প্রাক্তন টেনিস তারকাই মনে করছেন, আর্থার অ্যাশে স্টেডিয়াম নতুন তারার জন্ম দিল, যিনি ভবিষ্যতে অনেক গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাব জিততেই পারেন এমনকী হতে পারেন বিশ্বের ১ নম্বর টেনিস তারকা।

চমকপ্রদ উত্থান

এই ভাবনায় ভুলও কিছু নেই। এবারের উইম্বলডনে গত জুলাইয়ে রাদুকানু খেলতে নেমেছিলেন ওয়াইল্ড কার্ড নিয়ে, বিশ্বের ৩৩৮ নম্বর টেনিস খেলোয়াড় হিবেসে। আর ইউএস ওপেন শুরু করেন বিশ্বের ১৫০ নম্বর খেলোয়াড় হিসেবে। কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতে তিনি চলে এলেন ২৩ নম্বরে! ইংল্যান্ডের জোহানা কন্টা ৩১০ সপ্তাহ ধরে ডব্লুটিএ র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্রিটিশ মহিলা খেলোয়াড়দের মধ্যে ১ নম্বর ছিলেন। তাঁকেও স্থানচ্যুত করলেন রাদুকানু। সবচেয়ে মজার কথা ডব্লুটিএ ট্যুরের কোনও ইভেন্টেই শুরু থেকে মূলপর্বে খেলেননি রাদুকানু, একটি ম্যাচ জেতেননি পর্যন্ত। নটিংহ্যাম ও সান জোসে তিনি ওয়াইল্ড কার্ড নিয়ে খেলতে নামেন। প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নেন। উইম্বলডনে চতুর্থ রাউন্ড অবধি উঠলেও একটা সময় শ্বাসকষ্টের কারণে সরে দাঁড়ানোর কথা ভেবেছিলেন। সেখান থেকে নিজেকে আরও শক্তিশালী জায়গায় নিয়ে গিয়েছেন কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই। ইউএস ওপেনে তিনটি কোয়ালিফাইং ম্যাচ এবং মূলপর্বের সাতটি ম্যাচ তিনি জিতলেন একটিও সেট না খুইয়ে। ২০১৪ সালে সেরেনা উইলিয়ামসের পর আর কোনও মহিলা একটিও সেটে না হেরে ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি। ফলে সেরেনার সেই কীর্তিও স্পর্শ করলেন রাদুকানু।

খেতাব জয়ের পথে

ইউএস ওপেন খেতাব জেতার পথে তিনি হারিয়েছেন নামি খেলোয়াড়দের। বিশ্বের ১ নম্বর অ্যাশলে বার্টিকে হারানো শেলবি রজার্স থেকে শুরু করে অলিম্পিকে সোনাজয়ী বেলিন্ডা বেনসিচকে হারানোর পর সেমিফাইনালে হারান মারিয়া সাকারিকে। ইউএস ওপেন খেতাব জয়ের পর তিনি স্বীকার করেছেন উইম্বলডনে নামার আগে অবধি তিনি ভাবেননি গ্র্যান্ড স্ল্যামের সিঙ্গলস চ্যাম্পিয়ন হতে পারবেন। তিনি বলেন, পরীক্ষা দেওয়ার পর মাত্র তিন সপ্তাহ সময় পেয়েছিলাম গ্রাস কোর্টের কোনও ইভেন্টে নামার আগে অনুশীলনের জন্য। তবে উইম্বলডনের অভিজ্ঞতা আমার কাছে দারুণ অভিজ্ঞতাই। চতুর্থ রাউন্ড অবধি পৌঁছাতে পেরে সন্তুষ্টই ছিলাম। ফাইনালে খেলার সময় হাঁটুতে চোট পান, রক্তও বেরোয়। কিন্তু ব্যান্ডেজ বেঁধে নেমেও শেষ হাসি হাসলেন রাদুকানু। এই ট্রফিটি নিজের দখলেই রেখে দিতে কোর্টে নিজের সেরাটা দেওয়ার অঙ্গীকারও করেছেন। গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, কিন্তু প্রথমে তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না। ১৮ বছর বয়স, তাই রাদুকানু বলছেন কোনও চাপই অনুভব করেননি, এখনও করছেন না।

নতুন তারার উদয়

বছর দশেক আগে উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন পেত্রা কিভিটোভা, যাঁর জন্ম নব্বইয়ের দশকে। এবার একবিংশ শতাব্দীতে জন্মানো প্রথম টেনিস খেলোয়াড়ের হাতে উঠল ইউএস ওপেন খেতাব। আপাতত এই মুহূর্তগুলি উপভোগ করতে চান রাদুকানু। তিনি টেনিসের পাশাপাশি ভালোবাসেন মোটরস্পোর্ট। ছোটো থেকেই গো-কার্টিং, মোটরক্রসে মেতে থাকতে তাঁকে দেখা গিয়েছে। হর্স রাইডিং, ট্যাপ ডান্সিং, গল্ফ, স্কি, বাস্কেটবলের প্রতিও তাঁর ভালোই আগ্রহ রয়েছে। রাদুকানুর বাবা রোমানিয়ান, মায়ের জন্ম চিনে। রাদুকানুর দুই বছর যখন বয়স তখন তাঁর পরিবার ইংল্যান্ডে চলে যায়। তিনি মান্দারিন ভাষায় কথা বলতে পারেন। তাইওয়ানের বেশ কয়েকটি টেলিভিশন শো পছন্দ রাদুকানুর। রোমানিয়ার বুখারেস্টে ঠাকুমার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন বেশ কয়েকবার। রোমানিয়ার খাবারও তাঁর পছন্দ। বিশেষ করে ঠাকুমার হাতের রান্না। এ-লেভেলে অঙ্ক ও অর্থনীতির ছাত্রী রাদুকানু।

English summary
Emma Raducanu Won Her Maiden Grand Slam Title After Her Wildcard Entry To Wimbledon As World Number 338. Raducanu Has Variety Of Sporting Interests Also Extend To Horse Riding, Tap Dancing, Golf, Skiing And Basketball.
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X