ফের উঠল ক্রিকেটে স্পট ফিক্সংয়ের অভিযোগ, ফিরে দেখা ক্রিকেট -র স্ক্যান্ডালগুলি

  • Posted By: Debalina
Subscribe to Oneindia News

ক্রিকেটে ফের কলঙ্কের দিন। এবার গড়াপেটার ছায়া অ্যাশেজও। এর আগেও বিভিন্ন সময় ক্রিকেট দুনিয়া বিভিন্ন বিতর্কে বিদ্ধ হয়েছে।

১৯৯৪

১৯৯৪

প্রথমবার এই ধরণের অভিযোগ উঠেছিল ১৯৯৪ সালে। সেবারও উঠে এসেছিল অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের নাম। শ্যেন ওয়ার্ন ও মার্ক ওয়া নাকি পিচের চরিত্র, আবহাওয়া, দল নির্বাচন সংক্রান্ত খবর দিয়েছিলেন বুকিদের যা নিয়ে ছড়িয়েছিল চাঞ্চল্য। দুজনকেই ৬০০০ পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাসন এড়িয়ে গিয়েছিলেন দুজনেই।

[আরও পড়ুন:ফের কলঙ্কিত ক্রিকেট, 'দ্য সান'-র অন্তর্তদন্তে পর্দাফাঁস,জেনে নিন অ্যাশেজে ফিক্সিংয়ের গল্প ]

২০০০

২০০০

২০০০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা -র ক্রিকেটার হ্যানসি ক্রোনিয়ে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে -র অভিযোগে ধরা পড়েন। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ চলাকালীন তিনি বড় অঙ্কের টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। পাওয়া যায় ভয়েস টেপ। জেরার মুখে ক্রোনিয়ে স্বীকার করে নেন তিনি ১৯৯৬ সাল থেকে এইসব কাজ করে আসছেন। তাঁকে জেরায় উঠে আসে মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নাম। যা থেকে আরও বড় স্ক্যান্ডালের খবর বেরিয়ে আসে। চিরজীবনের জন্য নির্বাসিত হন আজাহার। এদিকে ২০১২ সালে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে তাঁর ওপরে থাকা নির্বাসন উঠে যায়। এদিকে ক্রোনিয়ের সঙ্গে দোষী সাব্যস্ত হন প্রোটিয়া ক্রিকেটার গিবস ও স্যামুয়েলস। তাঁদের ওপর ২ বছরের নির্বাসন ছিল। ২০০২ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ক্রোনিয়ের।

[আরও পড়ুন:অ্যাশেজে ফিক্সিংয়ের ছায়া কী বলছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া, আইসিসি ]

২০০৪

২০০৪

কেনিয়ার মরিস ওদুম্বে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাসিত হন। ভারতীয় বুকিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য তাঁর ওপর নেমে আসে নির্বাসনের খাঁড়া। ম্যাচ ফিক্স করার জন্য ১৪,৫০০ পাউন্ড পেয়েছিলেন মরিস ওদুম্বে।

২০০৮

২০০৮

২০০৭ সালে ভারতের বিরুদ্ধে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ খেলছিল। সেসময় ম্যারলন স্যামুয়েলস দল সংক্রান্ত বিবিন্ন তথ্য ভারতীয় বুকিকে দিয়েছিলেন। এর জন্য ২০০৮ সালে দু বছরের জন্য নির্বাসিত হন তিনি।

 ২০০৯

২০০৯

কাউন্টি ক্রিকেটও পাওয়া যায় স্পট ফিক্সিংয়ের প্রমাণ। এসেক্সের ক্রিকেটার মারভিন ওয়েস্টফিল্ড ৬০০০ পাউন্ড নিয়েছিলেন স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য। প্রথম ইংলিশ ক্রিকেটার যাঁর বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছিল। ২০১২ সালে তিন মাসের জন্য জেল খেটেছিলেন তিনি।

২০১০

২০১০

স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য তিন পাক ক্রিকেটারকে টাকা নেন। টাকা দেন কুখ্যাত পাকিস্তানি বুকি মাজহার মজিদ। নাম জড়ায় পাকিস্তানি অধিনায়ক সলমান বাট, মহম্মদ আসিফ ও মহম্মদ আমির। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে ছিল ফিক্সিং।
বাট ১০ বছরের জন্য নির্বাসিত হন, আসিফ সাত বছরের জন্য আমির পাঁচ বছরের জন্য নির্বাসি হন। নভেম্বরের ২০১১ সালে বাটের ৩০ মাসের জেল, আসিফের ১২ মাসের জেল, আমির ৬ মাসের জন্য নির্বাসিত হন।

২০১২

২০১২

পাঁচ ভারতীয় ক্রিকেটার আইপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ে -র অভিযুক্ত হন। শ্রীসন্থ, অজিত চান্ডিলা , অঙ্কিত চৌহানের নাম যুক্ত হয়। নির্বাসিত হন ক্রিকেটাররা।

English summary
Let's go through the other cricket scandals the hits the headline

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.