বুমরাহ বাইশ গজ কাঁপাচ্ছেন, সবরমতী-র জলে জীবন বিসর্জন দাদু' র , জানুন করুণ কাহিনি

  • Posted By: Debalina
Subscribe to Oneindia News

এই সমাজে বয়স্ক মানুষদের জন্য বাঁচার পরিবেশ রাখছি কী আমরা। চারপাশের নানা ঘটনা মনে করিয়ে দেয় আমরা বোধহয় আস্তে আস্ত মানবিকতার বিপরীত দিকে হাঁটছি। সম্প্রতি বুমরাহের ঠাকুরদা-র মৃত্যুর ঘটনা একবারে নাড়িয়ে দিল অন্তরকে।

বুমরাহ বাইশ গজ কাঁপাচ্ছেন, সবরমতী-র জলে জীবন বিসর্জন দাদু' র

সবরমতী নদীর জলে পাওয়া গেল জসপ্রীত বুমরাহের দাদুর মৃতদেহ। পরিবারর পক্ষ থেকে ফাইল করা হয়েছে এফআইআর।পরিবারের তরুণ সদস্যদের হাতে বয়স্কদের নির্যাতনের আরও এক করুণ কাহিনি। যার সঙ্গে এবার জড়িয়ে গেল জসপ্রীত বুমরাহের নাম। বুমরাহ ভারতীয় প্রথম একাদশের নিয়মিত সদস্য হলেও তাঁর ঠাকুরদা সান্তোক কুমার সিং উত্তরাখন্ডে অটো চালাতেন। সম্প্রতি বুমরাহে-র সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে তিনি বুমরাহের মা দলজিৎ কৌরের সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু বুমরাহের মা তাঁর ছেলের সঙ্গে তাঁকে দেখা তো করতে দেননি। পাশাপাশি তাঁর ফোন নম্বরও তাঁর দাদুকে দেননি।

এর কিছুদিন আগে জানা গিয়েছিল নাতি যখন দেশ বিদেশের মাটিতে ছুটে চলেছেন, তখন উত্তরাখন্ডে-র উধম সিং নগরে অটো চালাচ্ছেন তাঁর দাদু সান্তোক সিং বুমরাহ। কিন্তু তাঁদের এরকম অবস্থা ছিল না। জসপ্রীত বুমরাহের বাবা-র হঠাৎ মৃত্যুতে গোটা পরিবারের ভিত নড়ে যায়। আহমেদাবাদ তিনটি ফ্যাক্টরি ছিল বুমরাহ পরিবারের। কিন্তু ছেলের অপমৃত্যুতে ভেঙে পড়েন বুমরাহের দাদু।

এই সময়ে তাঁদের ব্যবসাতেও মন্দা দেখা দেয়। লোন শোধ করতে তাদের সেই ফ্যাক্টরি গুলিও বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই ২০০৬ সালে উত্তরপ্রদেশের উধম সিং নগরে পরিবার নিয়ে চলে আসেন সান্তোক সিং বুমরাহ। এখানে এসে তিনি চারটি গাড়ি কেনেন। ভেবেছিলেন আবার ব্যবসা শুরু করবেন। কিন্তু এবারও কপাল সঙ্গে ছিল না। ফের ক্ষতির সম্মুখীন হন তিনি। চারটি গাড়ির তিনটিই বেচে দিতে হয় তাঁকে। নিজের অটো নিজেই চালাতেন এই অশীতিপর বৃদ্ধ।

৫ ডিসেম্বর নাতির জন্মদিন উপলক্ষ্যে একবার বুমরাহের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন সান্তোক সিং। কিন্তু কোনও অজানা পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে তাঁকে দেখা করতে দিতে সম্পূর্ণ রূপে অস্বীকার করেন বুমরাহের মা। এরপরই মনের দুঃখে বাড়ি ছাড়েন ৮৪ বছরের এই বৃদ্ধ। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর মিসিং ডায়ারিও লজ করা হয়। তারপরই পুলিশ সবরমতীর জলে তাঁর মৃতদেহ খুঁজে পায়। এই কান্ডে বুমরাহের মায়ের বিরুদ্ধে মৃত্যুতে উস্কানি দেওয়ার কারণ দেখিয়ে এফআইআরও দায়ের করা হয়েছে। তবে এই বিষয়ে কোনওরকম মুখ খুলতে নারাজ বুমরাহের মা। এত বড় আঘাত মেনে নিতে পারেননি বৃদ্ধ। তবে তিনি নিজেই আত্মহত্যা করেছেন নাকি অন্য কোনও ভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়াতেও এভাবে দাদুর মৃত্যু ঘটায় ট্রোলড হচ্ছেন জসপ্রীত বুমরাহ।

English summary
Jasprit Bumrah's grand father's pathetic death news, allegation on Bumrah's mother

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.