৫০-৬০ কিমি বেগে আছড়ে পড়ল কালবৈশাখী, ঝড়ের দাপটে বিপর্যস্ত শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি
কালবৈশাখীর পূর্বাভাস ছিল। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল, কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টিও হবে। সেইমতো ষষ্ঠ দফা ভোটের সকালে শিলিগুড়ি-সহ উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ জেলায় তাণ্ডব চালালো কালবৈশাখী ঝড়। এই ঝড়ের দাপটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ির। গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় পরিষেবা।

৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে থাকে। ফলে শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ির বিভিন্ন রাস্তা গাছ পড়ে বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে লন্ডভন্ড পরিস্থিতি তৈরি হয়। শিলিগুড়ির হিলকট রোড, সেবক রোড, এস এফ রোড ও বর্দমান রোড বন্ধ হয়ে যায় গাছ পড়ে।

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ
এই কালবৈশাখীর তাণ্ডবের পরই বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর রাস্তা পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। বিদ্যুৎ দফতরকেও তৎপর হতে এলাকায় বিদ্যুৎ ফেরানোর কাজে। বেশ কিছু বাড়ির চালও উড়ে গিয়েছে। ফলে তৎপরপতার সঙ্গে ত্রাণেরও বন্দোবস্ত করতে হয় প্রশাসনকে। গাছ পড়ে একজনের মৃত্যুও হয়েছে।

বৃষ্টির দাপট কমলেও ঝোড়ো হাওয়ার তাণ্ডব চলে
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা নাগাদ হঠাৎ দিনের আলো মুছে গিয়ে মেঘ ঘনিয়ে আসে। তারপরই তুমুল হাওয়া রূপ নেয় ঝড়ের। সঙ্গে বজ্রপাত ও বৃষ্টি। মুহূর্তে তছনছ হয়ে যায় শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা। ৩০ মিনিট পর বৃষ্টির দাপট কমলেও ঝোড়ো হাওয়া চলে দিনভর। শিলিগুড়ি প্রায় চার ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে।

ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি শিলিগুড়ির পাশাপাশি জলপাইগুড়িতেও
জলপাইগুড়ির ভুটকির হাট, ফুলবাড়ি, মাঝিয়ালি, সন্ন্যাসীকাটা, পানিকৌড়ি, সুখানি প্রভৃতি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচুর ঘরের ক্ষতি হয়েছে। গাছ উপড়ে ঘরে পড়েছে। ফলে ভেঙেছে ঘর-বাড়ি। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে চাষের। বিদ্যুৎ পরিষেবা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এদিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে প্রশাসন।
জীবনসঙ্গী খুঁজছেন? বাঙ্গালী ম্যাট্রিমনি - নিবন্ধন নিখরচায়!


Click it and Unblock the Notifications
