টোকিও যাচ্ছেন কমলপ্রীত, হিমার কাছে এখনও অধরা অলিম্পিক্সের টিকিট
টোকিও অলিম্পিক্সে ভারতের আরও একজন অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়ল। ডিস্কাস থ্রোয়ার কমলপ্রীত কৌর পেয়ে গেলেন অলিম্পিক্সের টিকিট। যদিও নিজের সেরা পারফরম্যান্স করেও অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জন এখনও অধরাই হিমা দাসের কাছে।

ডিস্কাস থ্রো-তে অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের মাপকাঠি ছিল ৬৩.৫ মিটার। তার চেয়ে অনেক ভালো (৬৫.০৬ মিটার) ফল করে অলিম্পিক্সের টিকিট আদায়ের পাশাপাশি জাতীয় রেকর্ডও গড়ে ফেললেন কমলপ্রীত কৌর। পাতিয়ালায় ন্যাশনাল অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ ফেডারেশন কাপের শেষ দিনে নিজের আগের রেকর্ডও এদিন ভেঙে ফেলেন ২৫ বছরের কমলপ্রীত। এদিন তিনি যা ফল করলেন তা আগের (৬১.০৪ মিটার) থেকে চার মিটার বেশি। প্রথমবারেই ৬৫.০৬ মিটার দূরত্বে ডিস্কাস পাঠিয়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দেন ২০১৯ সালে এই চ্যাম্পিয়নশিপেই সোনাজয়ী কমলপ্রীত। পঞ্জাবের কমলপ্রীত অবশ্য এদিন পরবর্তী পাঁচবারের প্রচেষ্টায় ফাউল করেন। জাতীয় রেকর্ড হিসেবে তিনি এদিন ভেঙে দিলেন অলিম্পিয়ান তথা ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে সোনাজয়ী কৃষ্ণা পুনিয়ার ৯ বছরের পুরানো রেকর্ড (৬৪.৭৬ মিটার)। মাপকাঠির চেয়ে এক মিটারের কম ফল করে অল্পের জন্য অলিম্পিক্সের টিকিট হাতছাড়া করলেন ২০১৪ সালের এশিয়ান গেমস ও চারবার কমনওয়েলথ গেমসের পদকজয়ী সীমা পুনিয়া।
মহিলাদের ২০০ মিটার দৌড়ে এদিন চ্যাম্পিয়ন হলেও দেশের তারকা স্প্রিন্টার অসমের হিমা দাসের কাছে এখনও অধরাই রইল অলিম্পিক্সের টিকিট। ২৩.২১ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে তিনি নতুন মিট রেকর্ড গড়লেন। তবে অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের মাপকাঠি ছিল ২২.৮০ সেকেন্ড। সেমিফাইনাল হিটে ধনলক্ষ্মীর চেয়ে পিছিয়ে পড়েছিলেন হিমা। গতকাল ২৩.২৬ সেকেন্ড সময় করে পি টি ঊষার মিট রেকর্ড ভেঙেছিলেন ধনলক্ষ্মী। যদিও এদিন তাঁকে টেক্কা দিলেন হিমা।
পাঁচজন রেস ওয়াকার, কে টি ইরফান, সন্দীপ কুমার, রাহুল রোহিল্লা পুরুষদের ২০ কিমি. ইভেন্টে এবং ভাবনা জাট ও প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী মহিলাদের ২০ কিমি. ইভেন্টে টোকিও অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জন করেছেন। নীরজ চোপড়া ও শিবপাল সিং জ্যাভলিনে, পুরুষদের ৩০০০ মিটার স্টিপলচেজে অবিনাশ সাবলে, পুরুষদের লং জাম্পে এম শ্রীশঙ্কর, ফোর ইনটু ফোর হান্ড্রেড রিলে দলও টোকিওর টিকিট পেয়ে গিয়েছে। প্রথম ভারতীয় ফেন্সার ভবানী দেবী অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনের পর তাঁর মা সি এ রমণীকে নিয়ে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেণ রিজিজুর সঙ্গে দেখা করেন এবং সব সময় তাঁর পাশে থাকার জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। ভবানী দেবীর কথায়, তাঁর কেরিয়ারে স্তম্ভ হলেন তাঁর মা।
ছবি- সাই মিডিয়া












Click it and Unblock the Notifications