IOA: আইপিএল-আইএসএল দলে সফল, আইওএ-তে এক মাসও টিকতে পারলেন না ঊষার নিয়োগ করা সিইও
ভারতীয় অলিম্পিকে স্পোর্টসে ডামাডোল অব্যাহত ২০২৩ সালে বছরভর কুস্তি নিয়ে চলেছে জটিলতা। যা এখনও অব্যাহত। এরইমধ্যে শনিবার প্যারালিম্পিক কমিটিকে সাসপেন্ড করে ক্রীড়া মন্ত্রক।রবিবার খোদ জটিলতা তৈরি হল ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থাতেই। নিয়োগ করার এক মাসের মধ্যেই ছাঁটাই করা হল নতুন সিইএ রঘুরাম আইয়ারকে।
জানুয়ারি মাসের শুরুতে বেতনপ্রাপ্ত সিইও হিসাবে নিয়োগ করা হয় রঘুরাম আইয়ারকে। আইপিএলের একাধিক দলের সঙ্গে করেছেন তিনি। রাজস্থান রয়্যালস, রাইজিং পুণে সুপারজায়ান্ট, লখনউ সুপার জায়ান্টসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ফুটবলে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে কাজ করা রঘুরামকে সিইও হিসেবে নিয়োগ করা হয় মাসিক ২০ লক্ষ টাকা বেতনের বিনিময়ে।

নতুন সিইওকে কার্যকরী সমিতির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি যেতেহু বেতনভুক ছিলেন। ফলে তাঁর ভোট দানের ক্ষমতা ছিল না। তাঁর পরিবর্তে অন্য দুই জনের নাম প্রস্তাব করেছে আইওএ-র ইসি।
দুই সম্ভাব্য প্রার্থী হলেন, মিসেস মৃণালিনী এবং মিস্টার জর্জ ম্যাথু। ছয়টি অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস, এবং কমনওয়েলথ গেমস প্রতিটি সম্পর্কিত বিষয়গুলি পরিচালনা করেছেন তাঁরা। আইওএ-র সঙ্গে প্রায় ২৫ বছরের বিস্তৃত অভিজ্ঞতার জন্য হাইলাইট করা হয়েছে এই সুপারিশে। ইসি সুপারিশ করেছে যে এই দুই প্রার্থীর মধ্যে একজনকে নতুন সিইও হিসাবে দেড় লক্ষ টাকা মাসিক বেতনের বিনিময়ে নিয়োগ করার করা যেতে পারে।, কমিটির সদস্যদের আশা যে তাদের দক্ষতা আইওএকে ব্যাপকভাবে উপকৃত করবে।
সদস্যরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন যে এই ধরনের কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র বেআইনিই নয়, সুশাসন ও নৈতিকতার নীতিও লঙ্ঘন করে। চিঠিতে জোর দেওয়া হয়েছে যে আর্থিক কমিটি বা ইসির যথাযথ অনুমোদন ছাড়া আইওএ তহবিল ব্যবহার করে সিইও বা অন্য কোনও পক্ষকে কোনও অর্থ প্রদান করা উচিত নয়।
শনিবার কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে প্যারালিম্পিক কমিটিকে সাসপেন্ড করে। গত ২৮ মার্চ সংস্থার নির্বাচন ঘোষণা করেছে। ফলে ক্ষমতাসীন কার্যকরী সমিতির কমিটির মেয়াদ ফুরানোরও ২ মাস পরে এই নির্বাচন হবে। যা দেশের স্পোর্টস কোড বা ক্রীড়ানীতি লঙ্ঘন করছে বলেই জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক। এখন দেখার আইওএ-র বিষয়ে কোনও রকম হস্তক্ষেপ করে কিনা ক্রীড়ামন্ত্রক।












Click it and Unblock the Notifications