মমতার নির্দেশ মানছেন না সরকারি আধিকারিকরা! শুরু হয়েছে জোরদার আন্দোলন

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ সত্ত্বেও স্থায়ীকরণ করা হয়নি দমকল বিভাগের কর্মীদের। ঘোষণার দুবছর কেটে গেলেও চাকরিতে অস্থিরতা নিয়ে দিনভর খাটতে হয় তাঁদের। অথচ সরকার এখন নতুন করে স্থায়ী কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে। তাই সরকারের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলনে নামলেন অস্থায়ী কর্মীরা।

    মমতার নির্দেশ মানছেন না সরকারি আধিকারিকরা! শুরু হয়েছে জোরদার আন্দোলন

    মঙ্গলবার কলকাতার দমকল অফিসের সামনে হাজারেরও বেশি কর্মী আন্দোলন শুরু করেন। স্থায়ীকরনের দাবিতে সরব হন তাঁরা। বলেন, ছ-বছর ধরে কাজ করছি। এখনও স্থায়ীকরণ হল না। উলটে স্থায়ী কর্মী নিয়োগের জন্য গত ৯ জুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ফলে তাঁরা ছাঁটাইয়ের আশঙ্কাও করছেন।

    ২০১৬ সালে বর্তমান সরকার দমকলকর্মীদের সুবিধার্থে নতুন নিয়ম প্রণয়ন করে সরকার। সেই নির্দেশ অগ্রাহ্য করেছে দমকলের আধিকারিকরা। মুখ্যমন্ত্রীর জারি করা নির্দেশও মানছেন তাঁরা। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, দমকলকর্মীদের ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরি নিশ্চিত করা হচ্ছে। কিন্তু সেই নির্দেশ আজও কার্যকর করা হয়নি।

    [আরও পড়ুন:মমতাকে ঝেঁটিয়ে বিদায়ের নিদান! শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে কু-কথায় পঞ্চমুখ বিজেপির জয়]

    এদিন বিক্ষোভ আন্দোলনে সামিল হয়ে তাঁরা জানান, আমাদের স্থায়ী সুরাহা না করেই এঁই নিয়োগ আমরা মানব না। প্রয়োজনে আমরা অনশন শুরু করব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে। প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হব আমরা। দাবি জানাব, আমাদের চাকরি স্থায়ীকরণের।

    [আরও পড়ুন:ইদের ছুটি পূর্বনির্ধারিত দিনেই, পোস্ট ডিলিট সত্ত্বেও গুজবে কড়া ব্যবস্থা কলকাতা পুলিশের]

    English summary
    Workers demonstrate in front of the fire office demanding permanent settlement. They protest of the government's decision

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more