• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

যাদবপুরের ছাত্রীকে 'হেনস্থা'! বিতর্কে কলকাতা মেট্রো

ছাত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ফের বিতর্কে কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ। ট্রেন থেকে নামার সময় টোকেন ট্রেনেই পড়ে যায়। পরে ট্রেন ছেড়ে বেরিয়েও যায়। গেট দিয়ে বেরনোর আগে ছাত্রী নিজেই যান নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে। সেখানেই তাঁকে বহুক্ষণ বসিয়ে রেখে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ।

 যাদবপুরের ছাত্রীকে হেনস্থা! বিতর্কে কলকাতা মেট্রো

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী চন্দ্রিমা মজুমদার জানিয়েছেন, পড়াশোনার পাশাপাশি এলগিন রোডে একটি বেসরকারি সংস্থায় তিনি কাজ করেন। দাবি অনুযায়ী, সোমবার সন্ধেয় কাজ সেরে রবীন্দ্র সদন থেকে মেটোয় ওঠেন। তরুণীর বাড়ি লেকটাউন এলাকায়। ছাত্রীর দাবি, বেলগাছিয়া স্টেশনে নামতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কিতে টোকেনটি ট্রেনের কামরায় পড়ে যায়। ফিরতেই দেখেন ট্রেনের দরজা বন্ধ। ট্রেন দমদমের দিকে রওনাও হয়ে যায়।

এরপরেই যত ঝামেলার শুরু। বেরনোর সময় নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে টোকেন হারিয়ে যাওয়ার কথা বলেন ওই ছাত্রী। সেই সময় তাঁকে স্টেশন ম্যানেজারের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় থেকেই হেনস্থার শুরু। বলা হয়, টাকা দাও, নাহলে আরপিএফ-এ দিয়ে দেওয়া হবে। চারজন পুলিশ অফিসার তাঁকে ঘেরাও করে রেখেছিলেন বলে জানিয়েছেন ওই ছাত্রী। মেন্টাল ব্রেকডাউনের মতো পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন ওই ছাত্রী। সেই সময় জলও তাঁকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে ওই ছাত্রী।

লেকটাউনের বাসিন্দা চন্দ্রিমা মজুমদার অভিযোগ করে বলেছে, পুলিশের কাছে গিয়েও কোনও লাভ হয়নি। লেকটাউন থানায় অভিযোগ গ্রাহ্য হয়নি বলে জানিয়েছে ওই ছাত্রী। তবে মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ছাত্রীর কাছ থেকে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

English summary
Woman student from Jadavpur was allegedly harassed by Kolkata metro staffs after loosing token
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more