• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    মায়ের মৃতদেহ আগলে ৬দিন রইল ছেলে, পাইকপাড়ার ঘটনা উসকে দিল কঙ্কালকাণ্ডের স্মৃতি

    মা মারা গিয়েছেন। অথচ সেটা বুঝতে পারেননি ছেলে। মৃত মায়ের দেহ আগলে ৬দিন রইল মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে। এই ঘটনা উসকে দিল কঙ্কালকাণ্ডের স্মৃতি। দুই বছর আগে এভাবেই কলকাতার রবিনসন স্ট্রিটে পার্থ দে নিজের দিদি দেবযানীর দেহ আগলে রেখেছিলেন ছয় মাস ধরে। সেই ঘটনা সারা রাজ্যে সাড়া ফেলে দিয়েছিল।

    মায়ের মৃতদেহ আগলে ৬দিন রইল ছেলে

    এবারের ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনার মনীন্দ্র স্ট্রিটের একটি আবাসনে। বাড়ি থেকে পচা গন্ধ পেয়ে পড়শিরাই পুলিশে খবর দেন। তারপর ঘটনা সামনে আসে।

    পুলিশ জানিয়েছে, মনীন্দ্র স্ট্রিটের এই আবাসনে প্রয়াত মীরা বসু তাঁর ছেলে অনির্বাণকে নিয়ে একাই থাকতেন। চরম অর্থকষ্টের মধ্যে ছিলেন দুজনে। এভাবেই দিন কাটাচ্ছিলেন। বিদ্যুতের বিল না দেওয়ায় কয়েকবছর আগেই বিদ্যুতের সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছিল।

    এভাবেই চলছিল। তার মধ্যেই কয়েকদিন আগে মীরাদেবী বাড়িতেই মারা যান। ছেলে অনির্বাণ তা বুঝতে পারেননি। পরে পুলিশ দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে অনির্বাণ ও মীরাদেবীর দেহ উদ্ধার করে।

    কী কারণে মীরাদেবী মারা গিয়েছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তদন্তে নেমেছে। অনির্বাণকে শুশ্রুষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

    English summary
    Woman's dead body recovered from Paikpara flat, mentally ill son parked himself on locked flat
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more