• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

এনআরএসে নারকীয় কুকুর-নিধন কাণ্ডে অপরাধ কবুল, দীর্ঘজেরায় ২ ছাত্রীর ‘কীর্তি’ ফাঁস

খাস কলকাতার বুকে এনআরএসের মতো হাসপাতালে কুকুর নিধন-কাণ্ডে অপরাধ কবুল করল দুই ছাত্রী। মঙ্গলবার সকাল থেকেই দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছিল। শেষপর্যন্ত সরকারি হাসপাতালের ভিতরে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার কিনারা হল। পুলিশের দাবি দুই ছাত্রী তাদের অপরাধ কবুল করেছে। তিন ছাত্রী ও দুই কর্মীকে টানা জেরা করা হচ্ছিল।

এনআরএসে নারকীয় কুকুর-নিধন কাণ্ডে অপরাধ কবুল, দীর্ঘজেরায় ২ ছাত্রীর ‘কীর্তি’ ফাঁস

মঙ্গলবার সকাল থেকেই পশুপ্রেমীরা এন্টালি থানার সামনে ধরনায় বসেন। পুলিশও তটস্থ হয়ে জেরা শুরু করে অভিযুক্তদের। সিসিটিভি ও ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে শনাক্ত করা হয় ছাত্রীদের। তারপর জেরা শুরু হয়। পুলিশি জেরার মুখে ভেঙে পড়ে শেষে দোষ স্বীকার করে নেয় দুই ছাত্রী, এমনটাই দাবি পুলিশের। এরপর প্রশমিত হয় পশুপ্রেমীদের বিক্ষোভ।

রবিবার সন্ধ্যায় ১৭টি কুকুরছানাকে পিটিয়ে নৃশংস হত্যার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই গর্জে ওঠে শহর কলকাতা। এই ঘটনায় স্তম্ভিত পশুপ্রেমীরা আওয়াজ তোলেন এই আমানুষিক কাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে অপরাধীদের। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী মানেকা গান্ধীর সংস্থাও কুকুর-নিধনকাণ্ডে রিপোর্ট তলব করে। অবিলম্বে পশুহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তাঁর সংস্থা ফোন করে এন্টালি থানায়। তারপরই এদিন সক্রিয় হয়ে পুলিশ ব্যবস্থা নেয়।

সোমবার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যায়, প্রত্যেক কুকুরছানার দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মধ্যে দুটি কুকুরের লিভার ফেটে মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর বড় কুকুরটির মৃত্যু হয়েছে মাথার খুলি ফেটে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, রক্তক্ষরণেই কুকুরের মৃত্যু। ময়নাতদন্তে এই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে আসার পরই কুকুর নিধন তদন্তে কমিটি গঠন করে এনআরএস।

English summary
Two girl students admit their guilty to beaten death to puppies in NRS hospital. They admit in front of police investigation,
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more