• search

রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার এনআরএস-এ! বিপাকে অন্য রোগী ও পরিবারের সদস্যরা

  • By Dibyendu Saha
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার এনআরএস হাসপাতালে। রোগী মৃত্যুতে গাফিলতির অভিযোগ করে এক মহিলা চিকিৎসকের গায়ে হাত দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার প্রতিবাদ করে এমারজেন্সিতে কাজ বন্ধ করে দেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এন্টালি থানা-সহ চারটি থানা ও লালবাজার থেকে বিশাল বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।

    রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার এনআরএস-এ! বিপাকে অন্য রোগী ও পরিবারের সদস্যরা

    চিকিৎসকদের অভিযোগ পুলিশ দেখেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তাঁদের আরও অভিযোগ রোগীর পরিবারের সদস্যদেরই মদত দিয়েছে।

    এনআরএস হাসপাতালের এককর্মী জানিয়েছেন, ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত এক রোগীকে নিয়ে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে ঢুকেছিল প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ জনের একটি দল। প্রথমে দেখার পর ওই রোগীর সিটিস্ক্যান করতে বলা হয়। কিন্তু সিটিস্ক্যান করার আগেই মারা যান ওই রোগী। সেই সময় রোগীর সঙ্গে থাকা দলটি চিকিৎসকদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এক মহিলা চিকিৎসকের গায়ে হাত দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

    ঘটনার প্রতিবাদে ও নিরাপত্তার দাবি করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পরিষেবা বন্ধ করে দেন চিকিৎসকরা। রবিবারে হাসপাতালে সিনিয়র চিকিৎসকরা এমনিতেই কম থাকেন। পরিস্থিতি সামান দেন, জুনিয়র ডাক্তাররা। এক্ষেত্রে তাঁরা কর্মবিরতিতে চলে যাওয়ায় অচল হয়ে পড়ে হাসপাতাল। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের পরিবারের সদস্যরা জানান, ওয়ার্ডেও চিকিৎসক নেই।

    চিকিৎসকদের এই কর্মবিরতির মধ্যে দুর্ঘটনায় আহত এক ব্যক্তি এনআরএস হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনেই একঘণ্টা পড়ে থাকেন বলে অভিযোগ। এরপরেও চিকিৎসা না পাওয়ায় সেই ব্যক্তির সঙ্গে আসা পরিবারের সদস্যরা রোগীকে নিয়ে রাস্তা অবরোধ করতে যান। সেই সময় পুলিশ বুঝিয়ে রাস্তা অবরোধ সামাল দেয়। রোগীকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসার ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, নিরাপত্তার দাবিতে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা হাসপাতালে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    English summary
    Treatment of patients are disrupted due to the death of a patient in NRS Hospital in Kolkata

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more