ফেসবুক ‘ডার্টি পলিটিক্স’-এর বার্তা, শোকজ হলেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ফেসবুকে 'বিদ্রোহ' করে শোকজের মুখে পড়লেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর ফেসবুক বার্তায় দল অপমানিত হয়েছে বলে অভিযোগ। তাই তাঁকে শোকজ করা হল দল থেকে। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সির তথা আইনজীবী সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা বৈশ্বানর অবশ্য তাঁর ফেসবুক পোস্টের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন।

    ফেসবুক ‘ডার্টি পলিটিক্স’-এর বার্তা, শোকজ হলেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর

    [আরও পড়ুন: ফেসবুক পোস্টে দলত্যাগের জল্পনা তৃণমূল নেতার! 'ডার্টি পলিটিক্স' বিদ্রোহে কীসের ইঙ্গিত ]

    তিনি জানান, তাঁর ওই পোস্ট করা ঠিক হয়নি। তিনি এ জন্য দুঃখিত। শোকজের চিঠি পেলে তিনি জবাব দেবেন বলেও জানিয়েছেন। একদিকে যখন বিজেপির বিরুদ্ধে যখন সবাইকে এক হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিচ্ছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তখন বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের মতো নেতার এই ধরনের ফেসবুক বার্তা দলের ভাবমূর্তি কলূষিত হয়েছে বলে অভিযোগ।

    সেই কারণেই ফেসবুকে দল সম্বন্ধে যে মন্তব্য করেছেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করল তৃণমূল। এই ইস্যুতে তৃণমূলের বিতর্কিত নেতাকে শোকজ করা হল। উল্লেখ্য, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দল ছাড়ার কথা জানান। তিনি লেখেন নোংরা রাজনীতির মধ্যে না থেকে সন্ন্যাস নেওয়ার কথা।

    তারপরই বৈশ্বানরের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে জলঘোলা শুরু হয়। তখন তিনি ফেসবুক পোস্টটি ডিলিট করে দেন বলে অভিযোগ। ফেসবুকে বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন, 'আই এম নো মোর ইন ডার্টি পলিটিক্স হোয়্যার আই অ্যাম আনফিট রিয়ালি আই ফেল টু কন্টিনিউ মাই অ্যাক্টিভিটি, গুড বাই।' মেয়রের পর কাউন্সিলর বৈশ্বানরকে নিয়ে দল অস্বস্তিতে।

    English summary
    TMC show causes to Baishwanar Chatterjee for his facebook post. Baishwanar Chatterjee did a message on facebook about dirty politics in Trinamool Congress

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more