তৃণমূলে পচন ধরেছে, বিজেপিতে যাওয়ার আগে তৃণমূলের কর্মীদের খোলা চিঠি শুভেন্দু অধিকারীর
তৃণমূলে পচন ধরেছে, বিজেপিতে যাওয়ার আগে তৃণমূলের কর্মীদের খোলা চিঠি শুভেন্দু অধিকারীর
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে তৃণমূল কর্মীদের খোলা চিঠি লিখলেন শুভেন্দু অধিকারী। ৪পাতার চিঠিতে শুভেন্দু লিখেছেন তৃণমূলে পচন ধরেছেন। ১০ বছরে কোনও পরিবর্তন হয়নি দলে। তিনি কাজ করতে চেয়েছেন কিন্তু কাজ করতে পারেননি। দলের প্রতিষ্ঠাতারাই এখন কোণঠাসা। দলের স্বার্থে নয় ব্যক্তি স্বার্থে কাজ হয় তৃণমূলে এমনই অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। অর্থাৎ এক প্রকার শুভেন্দু বিজেপিতে আসার জন্য তৃণমূল কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন।

খোলা চিঠি শুভেন্দু
বিজেপিতে যাওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে দলীয় কর্মীদের খোলা চিঠি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ৪ পাতার খোলা চিঠিতে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন শুভেন্দু। চিঠিতে শুভেন্দু লিখেছেন, তৃণমূলে পচন ধরেছে। দলের প্রতিষ্ঠাতারাই এখন কোণঠাসা। দলের স্বার্থে নয় ব্যক্তিস্বার্থে কাজ হচ্ছে তৃণমূলে। যে ঘাম, রক্ত ঝড়, জল সামলে সংগঠন তৈরি করা হয়েছিল সেই আদর্শ আর নেই তৃণমূলের। গত ১০ বছরে দলের কোনও পরিবর্তন হয়নি। তিনি কাজ করতে চেয়েছেন কিন্তু কাজ করতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

বিজেপিতে যোগদানের আহ্বান
খোলা চিঠিতে এক কথায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিজেিপতে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন শুভেন্দু। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগেই এক প্রকার বিজেপির হয়ে প্রচার শুরু করে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দলের কর্মী সমর্থকদের নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে এক প্রকার খোলা চিঠিতে সাফাই দিয়েছেন শুভেন্দু। তৃণমূল কর্মীদের বিজেপিকে সমর্থন জানানোর যে তিনি সম্পূর্ণ চেষ্টা করবেন তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে এই চিঠিতে।

প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে অভিযোগ
খোলা চিঠিতে প্রশান্ত কিশোরকে নাম না করে আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দু। চিঠিতে শুভেন্দু লিখেছেন, যাঁরা কখনও মাটিতে নেমে কাজ করেননি। যাঁদের সঙ্গে মাটির কোনও যোগাযোগ নেই তাঁদের নির্দেশে কাজ হচ্ছে দলে। যাঁরা জানেনই না দলের সঙ্গে মাটির সম্পর্ক কি তাঁরা নির্দেশ দিচ্ছেন কী করতে হবে। এর থেকে খারাপ পরিস্থিতি কী হতে পারে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য পিকেকে নিয়ে দলের একাধিক নেতা বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিলেন। তার মধ্যে মিহির গোস্বামী আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। শুভেন্দুর সঙ্গে যোগ দেবেন শীলভদ্র দত্ত।

শুভেন্দুকে আক্রমণ কুণালের
শুভেন্দুর তৃণমূলে পচন ধরেছে মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে তৃণমূলের মুখপাত্র আক্রমণ শানিয়ে বলেছে যিনি বলছেন একথা তিনিই দলের সবচেয়ে বেশি পদ পেয়েছিলেন। অধিকারী পরিবারেই সবচেয়ে বেশি পদ দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। যাঁরা পচন ধরিয়েছিলেন তাঁরাই এখন বাদ যাচ্ছেন বলে পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন কুণাল ঘোষ। মেদিনীপুরে মুখোসের মেলা চলছে। অভিযোগ থাকলে মমতাকে জানাননি কেন শুভেন্দু। পদত্যাগ পত্রে কেন লিখেছিলেন দল তাঁকে অনেক সুযোগ দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications