• search

অগ্নিকাণ্ডের সময় পরিস্থিতি কেমন ছিল, জানিয়েছেন রোগীরা! হাসপাতালে কবে মিলবে ওষুধ, উঠছে প্রশ্ন

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজকে। কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। তবুও বুধবারের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সময় বাজেনি হাসপাতালের ফায়ার অ্যালার্ম। এমনটাই অভিযোগ করেছেন হাসপাতালে অসহায় রোগীরা। এদিকে, হাসপাতাল থেকে কবে ফের ওষুধ সরবরাহ করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের মধ্যে।

    অগ্নিকাণ্ডের সময় পরিস্থিতি কেমন ছিল, জানিয়েছেন রোগীরা! হাসপাতাল থেকে কবে মিলবে ওষুধ, উঠছে প্রশ্ন

    একদিকে যেমন অগ্নিকাণ্ডের পর ফায়ার অ্যালার্ম না বাজার অভিযোগে উঠেছে, অন্যদিকে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের ফার্মেসি বিভাগে আগুন লাগার জেরে প্রশ্নে আউটডোর এবং ইনডোরের ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থা। সাধারণত একমাসেপর ওষুধ রাখা থাকে হাসপাতালের ফার্মেসিতে। এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে ৮০ শতাংশ ওষুধ ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়বে বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। কীভাবে ইন্ডোরের রোগীদের কাছে বুধবারের ওষুধ পৌঁছে দেওয়া যাবে তা নিয়েও চিন্তায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    অন্যদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হওয়ায়, ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ বিক্রিও বন্ধ রয়েছে।

    আগুন লাগার পর হাসপাতালের মেডিসিন এবং হেমাটোলজি বিভাগে আতঙ্ক দেখা দেয়। প্রায় ২৫০-র মতো রোগী নামিয়ে আনা হয়। চাদরে মুড়িয়ে নামি আনা হয় রোগীদের। প্রথমে রোগীদের নিয়ে যাওয়া হয় এমারজেন্সি বিভাগে। তবে কয়েকজনকে নিয়ে যাওয়ার পরেই সেই বিভাগ পরিপূর্ণ হয়ে যা। ফলে রোগীদের অন্য বিভাগগুলিতে সরানো হয়। অন্যদিকে, অনেক রোগীর খোঁজ পাননি আত্মীয়রা। এমনটাই অভিযোগ তাঁদের। উদ্ধারে পর অনেক রোগীকে রাখা হয় খোলা আকাশের নিচে। যাঁদের কোনও ভাবেই হাঁটার মতো পরিস্থিতি নেই, তাঁদের হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে আরও আসুস্থ হয়ে পড়েন রোগীরা।

    এদিকে আগুন লাগার খবর পেয়েই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে যান ডিজি ফায়ার জগমোহন এবং দমকলমন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়।

    English summary
    Supply of medicine to the Patients of Kolkata Medical College in question due to fire

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more