• search

প্রেসিডেন্সিতে তালা, ফিরে গেলেন উপাচার্য! সমাবর্তন নিয়ে অনিশ্চয়তা

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ভারত বনধের দিনেই প্রেসিডেন্সির গেটে ঝুলল তালা। হিন্দু হস্টেল ফেরতের দাবিতে ছাত্ররা এই তালা ঝুলিয়ে দেন। দীর্ঘদিন ধরে কলেজ চত্বরেই রাত্রিযাপন করছেন পড়ুয়ারা। হস্টেল তৈরি হয়ে গেলেও তাঁদের তা ফেরত দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ ছাত্রদের। এদিকে সমাবর্তনের আগের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে বিঘ্ন ঘটায় বিপাকে কর্তৃপক্ষ।

    ভিন্ন কারণে প্রেসিডেন্সিতে তালা! ফিরে যেতে বাধ্য হলেন উপাচার্য

    হিন্দু হস্টেল ফেরতের দাবিতে ফের উত্তাল প্রেসিডেন্সির কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাস। সোমবার সকালে কলকাতার রাস্তায় যখন বনধের সমর্থনে নেমেছে কংগ্রেস কিংবা বাম কর্মীরা, ঠিক তখনই প্রেসিডেন্সির গেটে তালা ঝুলিয়ে দেন ছাত্রছাত্রীরা। তবে রাজনীতির সঙ্গে তালা ঝোলানোর কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানান আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীরা।

    সকাল সাড়ে নটা নাগাদ কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়া না খুললেও, প্রেসিডেন্সির গেটে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের পোস্টার ঝুলিয়ে দেন ছাত্রছাত্রীরা। গেটে তালাও দিয়ে দেওয়া হয়। গেটের সামনে গিয়ে আটকে পড়েন উপাচার্য। গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় রেজিস্ট্রার-সহ অন্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের। পরে তাঁরা ফিরে যান।
    তবে কোনও ভাবেই ছাত্রদের আন্দোলন ভাঙতে তিনি পুলিশ ডাকবেন না বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অনুরাধা লোহিয়া। সমাবর্তনের আগে ছাত্রদের এই আন্দোলনকে অনৈতিক বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। সমাবর্তনের আগের দিন এই অসুবিধায় সমাবর্তনে ব্যাঘাত ঘটার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

    অগাস্টের প্রথম সপ্তাহেও হস্টেল ফেরতের দাবিতে উত্তাল হয়েছিল প্রেসিডেন্সি। সেই সময় থেকেই ছাত্ররা ক্যাম্পাসেই রাত্রিযাপন করছে।
    যদিও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হিন্দু হস্টেল সংস্কারের কাজ চলছে। বদলে পড়ুয়াদের থাকার বন্দোবস্ত করা হয়েছে রাজারহাটের একটি সরকারি আবাসনে। সেখান থেকে পড়ুয়াদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বাসেরও বন্দোবস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।

    English summary
    Students closed Presidency campus of college street on demands of Hindu Hostel

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more