অভিযুক্তদের শাস্তি চান, চোপড়া কাণ্ডে এবার ঢোক গিললেন তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান
চোপড়া কাণ্ডে রাজনৈতিক চাপে শাসক দল তৃণমূল। প্রকাশ্য রাস্তায় স্থানীয় তৃণমূল নেতা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে এক তরুণী ও তার সঙ্গীকে পেটালেন। অভিযুক্তের পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমান।
বুধবার সুর নরম করলেন তৃণমূল বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রীতিমতো তাকে ধমক দিয়েছেন। শোকজ করেছে উত্তর দিনাজপুর তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার তারপরেই কি সুর নরম করতে বাধ্য হলেন তৃণমূল বিধায়ক?

ছবি সৌজন্য- Hamidul Rahaman/ফেসবুক
আজ বুধবার বিধানসভায় এসেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। তার মন্তব্য, ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। সাংবাদিকরা তাঁকে কার্যত ছেঁকে ধরেছিলেন। প্রশ্নবাণের সামনে বিব্রত হতে দেখা যায় বিধায়ককে। এদিন তরুণীর পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিও করেছেন।
ঘটনার পর রীতিমতো আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন বিধায়ক। তরুণীকেই কাঠগড়ায় তুলেছিলেন। মূল অভিযুক্ত জেসিবির পাশেও দাঁড়িয়েছিলেন। মুসলিম রাজ্যে এমন বিচার হয়েই থাকে। এই কথাও বলেছিলেন বিধায়ক। তার পরেই ঝড় উঠেছিল রাজনৈতিক মহলে৷
তিনি কি তার বক্তব্যে অনুতপ্ত? সেই প্রশ্ন বিধায়ককে করা হয়েছিল। কিন্তু তার কোনও জবাব হামিদুল রহমান দেননি। পুলিশ প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের খোঁজেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। নিজেকে সেফ সাইডে রেখে বিধায়ক বলেন, তিনি কোনও অসম্মানজনক মন্তব্য করেননি। তাঁর মন্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে। মহিলার অসম্মান হওয়ায় দু:খুপ্রকাশ করেছেন বিধায়ক।
হামিদুল রহমানের ওই মন্তব্যের পরেই রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় ওঠে। তৃণমূল বিধায়ককে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে তিরষ্কার করা হয়েছে বলেও খবর। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বিধায়ককে উত্তর দিনাজপুরের তৃণমূল শোকজ করেছে। অভিযুক্ত জেসিবিকেও দলের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications