RG Kar Doctor Protest: চেয়ারের জন্য কোনও আলোচনা করতে আসিনি, অবস্থান চলবে! স্পষ্ট করলেন চিকিৎসকরা
RG Kar Doctor Protest: চেয়ারের জন্য কোনও আলোচনা করতে আসিনি। ন্যায়বিচারের দাবিতে এসেছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য হতাশ বলে জানালেন জুনিয়ার চিকিৎসকরা। এই অবস্থায় আন্দোলন চলবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরেও ধর্নামঞ্চে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন বলেও এদিন জানিয়েছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা।
এই অবস্থায় কোন দিকে পরিস্থিতি গড়ায় সেদিকেই নজর সবার। গত ৭২ ঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গিয়েছে (RG Kar Doctor Protest)। এখনও স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থানে অনড় চিকিৎসকরা। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে নবান্নের তরফে বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়।

নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকেই সেই বৈঠকে সামিল হওয়ার কথা জানান। সেই মতো ৩২ জন প্রতিনিধি নবান্নে যান। বৈঠকে সবাইকে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও লাইভ স্ট্রিমিং'য়ে আ[পত্তি জানানো হয় রাজ্য সরকারের তরফে।
পাল্টা নিজেদের অবস্থানেও অনড় থাকেন আন্দোলনকারীরা। এভাবে প্রায় দিঘন্টা কেটে যায়। সভাঘর ছাড়েন মুখ্যমন্ত্রী। আর এরপরেই কার্যত নবান্ন থেকে এহেন আচরনে ক্ষোভ উগরে দেন। এমনকি চেয়ারের দাবিতে আন্দোলন চলছে বলেও মন্তব্য করেন। যদিও এহেন মন্তব্যে জুনিয়ার ডাক্তাররা হতাশ বলে মন্তব করেন। নবান্ন সভাঘরের বাইরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এদিন আন্দোলনকারীরা।
বলেন, এদিনের বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার জন্য প্রশাসন দায়ী। নির্যাতিতার ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন। সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। চেয়েছিলাম লাইভ স্ট্রিম করে পুরো বিষয়টির মধ্যে স্বচ্ছতা থাকুন। দীর্ঘ ৩৪ দিন কেটে গিয়েছে। আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতার জন্য আজ হল না। তবে চেয়ারের দাবি নয়, চেয়ারকে সম্মান করেই এখানে এসেছিলাম। ভরসা রেখেছিলাম।
কিন্ত্যু মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে আমরা হতাশ বলে জানান। তবে আশা ছাড়ছেন না বলেও এদিন ইঙ্গিত দেন জুনিয়ার ডাক্তাররা। চিকিৎসকদের দাবি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আর তা ঢাকতে চাইছেন প্রশাসন। আর তা ঢাকতেই ধর্না এবং আন্দোলনকে ঢাল করা হচ্ছে বলেও এদিন জানান আন্দোলনকারীরা। এই বিষয়ে অবিলম্বে মেডিক্যল কলেজ এবং সার্ভে করার দাবি জানান তাঁরা।
পাশাপাশি লাগাতার আন্দোলনের কথাও শোনা যায় আন্দোলনরত ডাক্তারদের মুখে। বলেন, আরও ৩৩ দিন এই রাজপথে বসে থাকতে পারি। তবে দাবি মানতে হবে বলে হুঁশিয়ারি। ফলে আরও একটা রাত স্বাস্থ্য ভবনের সামনেই কাটতে চলছে চিকিৎসকদের।












Click it and Unblock the Notifications