• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts
Oneindia App Download

পুজোর সঙ্গে মানবিকতাও, বিলি হল স্টুডেন্ট কার্ড , অর্থ দান হল অনাথ আশ্রমেও

Google Oneindia Bengali News

এখন সব পুজোর ক্লাবই কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের অঙ্গ হয়ে গিয়েছে। বহু জায়গাতেই এখন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে শুরু করে এমন সরকারি প্রকল্পের দেদার প্রচার হয়। আগে শুধু বইয়ের স্টল দেওয়া হত প্রচারের জন্য। এখন বিষয় সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। সম্প্রতি দুর্গার হাতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা। সেই তালিকায় মানুষের সাহায্যের আঙ্গিকে সরকারি প্রকল্পের প্রচার এবং কাজ হচ্চগে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার পুজোতে।

স্টুডেন্ট স্কলারশিপ

স্টুডেন্ট স্কলারশিপ

গতকাল যেমন ২.৩০ টা থেকে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে ১০০০ ছাত্র-ছাত্রীর হাতে ১০০০ টাকার স্টুডেন্ট স্কলারশিপ তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় পাঁচটি ক্লাব কে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে সহযোগিতা থাকবে। স্থানীয় একটি অনাথ আশ্রমকে দেয়া হবে এক লক্ষ টাকা । মধ্য কলকাতার পুজো গুলোর মধ্যে অন্যতম সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো।

পুজোর চমক

পুজোর চমক

বিগত কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন রকম চমক দিয়ে আসছে এই পুজো, এ বছরেও রয়েছে বিশেষ চমক, লালকেল্লার আদলে তৈরি হচ্ছে এবারের মন্ডপ। জোর কদমে চলছে পুজোর প্রস্তুতি। উদ্যোক্তাদের দাবি এ বছর তাদের পুজো জনজোয়ারে ভাসবে। বিগত বছরগুলোর মতো এ বছরও একটা ভালো পুজো দেখার আশায় ও অপেক্ষায় থাকলাম।

অন্যতম সেরা ক্লাব

অন্যতম সেরা ক্লাব

কলকাতার দুর্গাপূজা বলতে যে কয়েকটি মন্ডপ এর কথা এক বাক্যে সবার মাথায় আসে, তার মধ্যে অন্যতম সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার। নানা কারণে খবরের শিরোনামে আসে এই পূজা। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ এই মন্ডপে আসেন। কিন্তু কেউ কি একবারও জানতে চেয়েছেন এই সন্তোষ মিত্র আসলে কে? সন্তোষ দত্তকে তো আমরা এক ডাকে চিনি কিন্তু সন্তোষ মিত্র? উদাসীন কলকাতা পুরসভাও পার্কে শুধু একটা ফলক লাগিয়েই খালাস। ভুলে যাওয়া সেই ইতিহাসকে চলুন একবার দেখে নেই৷

ইতিহাস

ইতিহাস

উত্তর কলকাতার এক কায়স্থ পরিবারে সন্তোষ মিত্র জন্ম নেন ১৯০১ সালের(১৫ আগস্ট)। হিন্দু স্কুল এবং প্রেসিডেন্সি তে পড়াশুনা করেন। প্রেসিডেন্সি তে তাঁর সহপাঠী ছিলেন সুভাষ চন্দ্র বসু। কলেজ জীবন থেকেই তাঁর স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু। মূলত অহিংস আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হলেও, যুগান্তর গোষ্ঠীর বারীন ঘোষের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব ছিল। সেই সুবাদে ১৯২৩ সালে দ্বিতীয় আলিপুর ষড়যন্ত্র মামলায় তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়। বিখ্যাত আইনজীবী যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত তাঁকে ছাড়িয়ে আনেন। এরপরেও তাঁর আন্দোলন চলতে থাকে। ফের গ্রেফতার হন ১৯৩০ সালে। সেই সময় বিভিন্ন জেলে কয়েদিদের চাপ এত বেড়ে গেছিল যে কয়েকটি অস্থায়ী কারাগার তৈরি করতে বাধ্য হয় ব্রিটিশ সরকার। হিজলি তে তৈরী হয় একটি অস্থায়ী কারাগার। সেখানেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
১৯৩১ সালের ২৭শে জুলাই কোর্টরুম চত্বরে খুন হন অলিন্দ যুদ্ধের নায়ক দীনেশ গুপ্তকে ফাঁসির আদেশ শোনানো বিচারপতি গারলিক । পুলিশ আততায়ী কে ধরতে গেলে সে সেখানেই আত্মহত্যা করে। তাঁর পকেট থেকে বিমল দাশগুপ্ত নাম লেখা চিরকুট পাওয়া যায়। যদিও সেটা তাঁর আসল নাম ছিল না। এই ঘটনায় স্বভাবতই খুশির হওয়া ছড়িয়ে পরে হিজলি জেলের কয়েদিদের মধ্যে। এই খবরে পেয়ে ক্ষিপ্ত প্রশাসন ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৩১ সালে হিজলি জেলে কয়েদিদের উপর গুলি চালাতে শুরু করে। যদিও কেউ কেউ বলেন প্রশাসন কে ঠুঁটো বানিয়ে ওই কাজ করেছিলেন স্থানীয় ইউরোপিয়ান ক্লাবের কয়েকজন সদস্য। কি ঘটছে সেটা দেখতে সেলের বাইরে আসেন সন্তোষ মিত্র এবং বরিশালের তারকেশ্বর সেন। বুলেট বিদ্ধ হন তাঁরা। সেখানেই মারা যান। এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দায় সরব হন সবাই। স্বয়ং নেতাজি তাঁদের মৃতদেহ নিতে হিজলি যান। গর্জে ওঠেন রবীন্দ্রনাথ, প্রশ্ন রাখেন ঈশ্বরের কাছে, "যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু নিভাইছে তবে আলো"
২৬শে সেপ্টেম্বর মনুমেন্ট এর নিচের সমাবেশ থেকে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। ২৮শে সেপ্টেম্বর এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সেন্ট জেমস স্কোয়ার এর নাম বদলে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার রাখে কলকাতা করপোরেশন।

পুজোয় উলুবেড়িয়াকে যানজটমুক্ত রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা, মহিলাদের নিরাপত্তায় জোরপুজোয় উলুবেড়িয়াকে যানজটমুক্ত রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা, মহিলাদের নিরাপত্তায় জোর

English summary
puja pandal social work at the time of time
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X