• search

এমনই অভিযোগ! পঞ্চায়েত ভোটের আগে 'বিপাকে' মুকুল রায়

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিপাকে বিজেপি নেতা মুকুল রায়। রেলে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে তাঁর শ্যালক সৃজন রায়কে পুলিশ দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছে। ব্যারাকপুরের পুলিশ হেফাজতে রাখার পর  তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হয়।

    এমনই অভিযোগ! পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিপাকে মুকুল রায়

    গত বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রতারণার অভিযোগ উঠছিল সৃজন রায়ের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইউপিএ টু সরকারের আমলে মুকুল রায় রেলমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই প্রতারণার অভিযোগ উঠতে থাকে তাঁর বিরুদ্ধে। বেকার যুবক-যুবতীদের চাকরির বন্দোবস্ত করার বিনিময়ে লক্ষ লক্ষ টাকা তিনি নেন বলে অভিযোগ । কিন্তু চাকরি না হওয়ায় উত্তর ২৪ পরগনার বীজপুর-সহ একাধিক থানায় সৃজন রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরপর দিল্লি থেকে তাকে গ্রেফতার করে বীজপুর থানার পুলিশ।
    জানা গিয়েছে, পরিবারের তরফে প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। মুকুল রায়কে বিপাকে ফেলতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করা হয়েছে।

    সূত্রর খবর অনুযাযী, মুকুল রায় যখন তৃণমূলে ছিলেন, তখন তাঁর চারপাশে থাকতেন, সৃজন রায়, সুজিত শ্যাম, পৃথ্বিশ দাশগুপ্ত, অর্চনা মজুমদারের মতো অনেকেই। এরপর মুকুল রায় বিজেপি যোগ দেওয়ার পর থেকেই অনেকের বিরুদ্ধেই ফৌজদারি মামলা করা হয়। জারি হয় গ্রেফতারি পরোয়ানাও।

    মুকুল রায়ের শ্যালক সৃজন রায় কাঁচড়াপাড়া ওয়ার্কশপের কর্মী। তাঁর বিরুদ্ধে অনেকগুলি প্রতারণার অভিযোগ ছিল। মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ সহচর পৃথ্বিশ দাশগুপ্ত এর আগে প্রতারণার অভিযোগ এবং দুষ্প্রাপ্য নটরাজের মূর্তি পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ ছাত্র নেতা সুজিত শ্যামের বিরুদ্ধেও রয়েছে প্রতারণার মামলা। সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাক্তন প্রেমিকাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ অর্চনা মজুমদারের বিরুদ্ধে। নিজে পেশায় চিকিৎসক এবং নিজেকে কেন্দ্রীয় সরকারের পদস্থকর্মী বলে দাবি করে থাকেন তিনি।

    English summary
    Police arrest Mukul Roy's brother in law Srijan Roy in connection with fake job racket

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more