আরজি কর কাণ্ডে আরও স্বতঃস্ফূর্ত হচ্ছে কি মানুষের প্রতিবাদ? রাত দখল মানুষের
আরও একবার বাংলার রাত দখল হয়ে গেল। শহর কলকাতা তো বটেই৷ মফসসল থেকে গঞ্জ এলাকাতেও মানুষ সোচ্চার হতে শুরু করেছেন। আরজি কর কাণ্ডে বিচার চেয়ে মানুষ সোচ্চার হচ্ছেন।
গতকাল বুধবার আরও একবার রাত দখলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। কলকাতার যাদবপুর, শ্যামবাজার, কলেজ স্ট্রিট, সিঁথির মোড়, একাডেমি চত্বর, ধর্মতলা৷ একাধিক জায়গায় মানুষ সংঘবদ্ধ ভাবে পথে নেমেছিলেন। হাজার হাজার কণ্ঠে আওয়াজ উঠল 'জাস্টিস ফর আরজি কর'।

গতকাল বুধবার রাত ন'টা থেকে দশটা প্রতিবাদ হিসেবে আলো নেভানোর আহ্বান জানানো হয়। শহর অন্ধকার করে প্রতিবাদ হবে। এই বার্তা ছড়িয়ে পড়ে দিকে দিকে। রাত ন'টার পরে কলকাতার মানুষ আলো নেভাতে শুরু করেন। ভিক্টোরিয়ার আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়। রাজভবনে আলো নেভানো থাকে। স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে কলকাতা আলো-আঁধারিতে ডুবে থাকল প্রতিবাদের ঢেউরে সামিল হয়ে।
আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানি ছিল। গতকাল রাতে জানা যায়, সেই শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে। বাংলার মানুষের মধ্যে সাময়িক ক্ষোভও তৈরি হয়েছে। মিছিলের আয়তন আগামী দিনে আরও বাড়বে। সেই বার্তা দেওয়া হয়েছে বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে। কবে সুপ্রিম কোর্টে এবার শুনানি হবে? সেই তথ্য বৃহস্পতিবার বেলা পর্যন্ত জানা যায়নি।
কেবল কলকাতা শহর নয়। শহরতলি, মফসসল এলাকাতেও ক্ষোভের আঁচ বেরিয়ে আসছে। সাধারণ মানুষ পথে নেমেছেন বিচারের আশায়। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মানুষের সোচ্চার প্রতিবাদ দেখতে পাওয়া গিয়েছে গতকাল। শিলিগুড়ি শহরে আগাগোড়া মিছিল হচ্ছে। বুধবার রাত দখলে শামিল হয়েছিলেন মানুষ। কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, জেলার মানুষও শামিল হয়েছেন প্রতিবাদে।
দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া,দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি জেলাতেও আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ হচ্ছে। জাতীয় পতাকা, মশাল, মোমবাতি নিয়ে মানুষ গতকাল পথে নেমেছিলেন। মানুষের প্রতিবাদ আরও ব্যপ্তি পাচ্ছে। মানববন্ধন দেখা গিয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। কলকাতা পেরিয়ে বিক্ষোভ কি এবার স্বতঃস্ফূর্ত আকার ধারণ করছে? সেই প্রশ্ন উঠছে।












Click it and Unblock the Notifications