ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

রহস্যময় 'কুয়াশা'-য় ছেয়ে সল্টলেক থেকে নিউটাউন, দীপাবলির আগে এ কোন ঘটনা

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    দীপাবলির আগেই ঘন কুয়াশার মতো এক আস্তরণে মুড়ি দিল সল্টলেক উপনগরী এবং নিউটাউন। সোমবার সকাল থেকেই হালকা কুয়াশার আস্তরণ সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ থেকে নিউটাউনের উপরে ছেয়ে যায়। আকাশের নীলাভাব উধাও হয়ে যেন মেঘলা পরিবেশ তৈরি হয়ে যায়। বেলা গড়াতেই মনে হতে থাকে যেন ঘন মেঘে উপনগরীর আকাশকে গিলে ফেলেছে। দৃশ্যমানতাও কমতে থাকে। অনেকেই বোধ করেছিলেন এই বোধহয় আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামবে। কিন্তু, খালি চোখে দেখা যায় কেমন হালকা ধোঁয়ায় চারিদিক ঢেকে যাচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতেই পারে কুয়াশা। কিন্তু, আস্তরণ যে কুয়াশা নয় তা খানিক্ষণ নজর রাখলেই বোঝা যাচ্ছিল।

    রহস্যময় 'কুয়াশা'-য় ছেয়ে সল্টলেক থেকে নিউটাউন, দীপাবলির আগে এ কোন ঘটনা

    অনেকে আবার বলতে থাকেন, দীপাবলির আতসবাজী আগে থেকে ফাটানোর ফলে বারুদের ধোঁয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিন্তু, তেমন কোনও ঘটনার খবরও পাওয়া যায়নি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল। সেখান থেকেও বলা হয় সল্টলেক ও নিউটাউন-এর আকাশে অস্বাভাবিক কিছু উপগ্রহের ছবিতে ধরা পড়েনি। যদিও, তারা প্রথমে একে ধোঁয়াশা বললেও, পরে জানান সমস্ত দিক খতিয়ে দেখেই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা যাবে।

    রহস্যময় 'কুয়াশা'-য় ছেয়ে সল্টলেক থেকে নিউটাউন, দীপাবলির আগে এ কোন ঘটনা

    সল্টলেক উপনগরীতে বসবাসকারী কিছু জনের দাবি, সোমবার ভোর থেকে ঘন কুঁয়াশায় ঢেকে গিয়েছিল চারিদিক। তবে, বেলা গড়াতেই এই কুঁয়াশার মতো পরিস্থিতি অনেকটাই কেটে যায়। এটা কুঁয়াশা না ধোঁয়াশা তা নিয়ে এই মানুষগুলিও ধন্দে। তবে, সন্দেহ নেই দীপাবলির আগে সল্টলেক উপনগরী এবং নিউটাউনের আকাশের এমন পরিস্থিতি এক রহস্য তৈরি করেছে।

    রহস্যময় 'কুয়াশা'-য় ছেয়ে সল্টলেক থেকে নিউটাউন, দীপাবলির আগে এ কোন ঘটনা
    English summary
    Mysterious smog over the sky of Saltlake and New Town. Diwali is knocking at the door, though people think this smog as a result of crackers and pollution. But, weather office have no such information.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more