Murshidabad: সামশেরগঞ্জে বাবা-ছেলে খুনে পুলিশের জালে ইনজামুল, ধৃত বেড়ে ৩; মুর্শিদাবাদ হিংসায় মোট গ্রেফতার ২৭৪
Murshidabad: মুর্শিদাবাদের হিংসার ঘটনায় সপ্তাহ হতে চলল। জেলায় শান্তি ফিরেছে বলে জানালেন এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার। এখনও পর্যন্ত হিংসার ঘটনায় মোট ২৭৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানালেন তিনি। পাশাপাশি সামশেরগঞ্জে বাবা ও ছেলেকে খুনের ঘটনায় আরও ১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত চার্জশিট দিয়ে ধৃতদের শাস্তি সুনিশ্চিত করা হবে বলে জানালেন পুলিশকর্তা।
এডিজি জানান, সামশেরগঞ্জে হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসকে খুনের ঘটনায় সুতি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইনজামুল হক নামে এক অভিযুক্তকে। জাফরাবাদে ওই খুনের ঘটনায় গ্রেফতার শুলিপাড়ার বাসিন্দা ইনজামুল। দুটি এলাকাই কাছাকাছি অবস্থিত বলে জানান এডিজি। ধৃত ব্যক্তি পেশায় মিস্ত্রি বলে জানা গিয়েছে। ধৃত ইনজামুলই বাবা ও ছেলের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছিল বলে জানান এডিজি।

পুলিশের দাবি, হত্যার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া ও প্রমাণ লোপাটে সিসিটিভি ভাঙার চেষ্টা করে ইনজামুল। এর আগে কালু নাদাব ও দিলাবর নাদাব নামে ২ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এডিজি জানান, "ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড়া হবে না। প্রত্যেককে একে একে ধরব। ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করেছি। আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের গ্রেফতার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হবে। সমস্ত অপরাধীদের কাছাকাছি এলাকাতেই বিচরণ।"
পুলিশকর্তা আরও জানান, মুর্শিদাবাদে অশান্তির জেরে অনেকে এলাকা ছেড়ে গিয়েছিলেন। এখনও পর্যন্ত ৮৫ জন বাড়ি ফিরে এসেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় আরও মানুষ ফেরার কথা। ঘরছাড়াদের ফেরানোর সব ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। ১১ জনের সিটের টিম তদন্ত করছে। সামশেরগঞ্জে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে বলে জানান এডিজি। তাঁর কথায়, গত ৪ দিনে কোনও অশান্তি হয়নি। প্রায় ৭০ শতাংশ দোকান বাজার খুলেছে। কাল পরশুর মধ্যে আরও স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি।"
সিটের নেতৃত্বে ডিআইজি মুর্শিদাবাদ ওয়াকার রাজা রয়েছেন বলে জানান এডিজি। গোয়েন্দা ব্যর্থতা কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এলাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দিচ্ছে। ধুলিয়ানের কসমেটিকসের দোকানে নতুন করে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সুপ্রতিম সরকার জানান, "বাইরে থেকে আগুন লাগানো সম্ভব নয়। ওখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে। দোকান মালিকও একই কথা জানিয়েছেন। স্থানীয়রাও জানেন। এটাকে অন্য ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়া ভুল। ওটাকে অশান্তি ধরা যাবে না।"
প্রসঙ্গত, সামশেরগঞ্জে হরগোবিন্দ ও চন্দনকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা। বুধবার নেতাজি ইন্ডোরে সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মুর্শিদাবাদের মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা সাহায্য ঘোষণা করেন। যদিও সেই ক্ষতিপূরণ নিতে নারাজ ওই পরিবার। তাদের দাবি, খুনিদের শাস্তি হোক। এখানে স্থায়ী বিএসএফ ক্যাম্প করা হোক।












Click it and Unblock the Notifications