• search

দলে আছি বলে শুভবুদ্ধি চেপে রেখেছি, ফের বিস্ফোরক সাধন পাণ্ডে

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    কলকাতা, ৪ জানুয়ারি: কিছুদিন আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের সমর্থনে মুখ খুলে দলের ধমক খেয়েছিলেন ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। কিন্তু তাতেও দমলেন না। রবিবার একটি অনুষ্ঠানে এসে বললেন, দলে থাকলে শুভবুদ্ধিকে চেপে রাখতে হয়। দলের লাইন মেনে কাজ করতে হয়। এর জেরে স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: যাদবপুরের উপাচার্যের বিরুদ্ধে এ বার মুখ খুললেন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে
    আরও পড়ুন: তৃণমূলের সভাতেই মঞ্চে উঠে মমতার ভাইপোকে সপাটে চড়

    তৃণমূল কংগ্রেস এ দিন মহানগরীতে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিল। সেখানে হাজির ছিলেন তৃণমূল নেতা তথা ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলেন, "আমি যখন দলে যোগ দিই, তখন থেকেই শুভবুদ্ধি ব্যাপারটা চেপে রাখতে হয়েছে। শুভবুদ্ধিসম্পন্নরা অনেক কিছু বুঝেও চুপ থাকেন। দলে থাকলে আপনাকে শুভবুদ্ধি ব্যাপারটা চেপে রাখতে হবে। দলের লাইন অনুযায়ী কাজ করতে হবে।"

    ককক

    এই মন্তব্য জানাজানি হওয়ার পরই বিতর্ক শুরু হয়। তৃণমূলের কেউই মুখ খুলতে চাননি। বিজেপি রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা বলেন, "উনি যেখানে রয়েছেন, সেটি ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি সংস্থা। সেখানে কিছু বলা সত্যিই বিপদ। গণতন্ত্র আছে, এমন দল হলে উনি উচিত কথাটা দলের ভিতরই বলতে পারতেন।"

    সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, "আমাদের দলের নীতি আছে, আদর্শ আছে। কিন্তু তৃণমূলে তো সেটা নেই। সাধনবাবু শেষ পর্যন্ত সেটা বলেই ফেললেন।"

    কংগ্রেস নেতা অরুণাভ ঘোষ বলেছেন, "সাধনবাবু ঠিকই বলেছেন। মন্ত্রিত্ব বাঁচাতে গেলে, লালবাতি টিকিয়ে রাখতে গেলে শুভবুদ্ধিটা পকেটে পুরে শিরদাঁড়া জমা দিয়ে আসতে হয় কালীঘাটে। অনেকে বলতে পারেন না, উনি বলে দিয়েছেন।"

    English summary
    Minister Sadhan Pandey becomes aggressive again defying party diktat

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more