• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

এক যুগ আগের জোড়া খুনের ঘটনায় ফাঁসির সাজা শিয়ালদহ আদালতে

  • By Aveek Banerjee
  • |

নিজের একবছরের ভাইপো এবং বৌদিকে নৃশংসভাবে খুন করেছিল বেলেঘাটার বাসিন্দা সত্য সাহা। সেই ঘটনার প্রায় ১২ বছর পর অপরাধী সত্য সাহাকে ফাঁসির সাজা দিল আদালত। বাড়িতে মা ও শিশুকে খুনে সত্য সাহাকে সাহায্য করেছিল তার স্ত্রী নন্দিতা সাহা। তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছেন শিয়ালদহ আদালতের বিচারক চিন্ময় ভট্টাচার্য।

এক যুগ আগের জোড়া খুনের ঘটনায় ফাঁসির সাজা শিয়ালদহ আদালতে

ঘটনাটি ঘটেছিল ২০০৮ সালে। বেলেঘাটার সুরেন সরকার রোডের বাসিন্দা বিদ্যুৎ সাহা এবং সত্য সাহা। জমি জায়গা নিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদ ছিল দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। তাদের অশান্তির চূড়ান্ত রূপ নেয় ২০০৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর।

বাড়িতে দাদা না থাকার সুযোগে সত্য সাহা এবং নন্দিতা সাহা প্রথমে বৌদি বুলু সাহাকে গলায় লাভ দড়ি পেঁচিয়ে নৃশংসভাবে খুন করে। এর পরেই এক বছরের ভাইপো ইন্দ্রজিৎ সাহাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে। তারা মায়ের দেহ ফেলে দেয় দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে এবং শিশুর দেহ ফেলে দেয় আরজিকর হাসপাতালের কাছে।

এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ সত্য এবং নন্দিতাকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। মামলা শুরু হয় শিয়ালদা আদালতে। মামলায় বিশেষ সরকারি আইনজীবী আবু বক্কর ঢালী এই খুনের ঘটনার উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ আদালতের কাছে পেশ করেন। তার যুক্তি ছিল অসহায় মা এবং শিশুকে একা পেয়ে যেরকম নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে তা বিরলতম। এই যুক্তি দিয়ে তিনি আদালতের কাছে অপরাধীদের সর্বোচ্চ সাজা অর্থাৎ ফাঁসির দাবি করেন। নৃশংস ঘটনার অপরাধী শুক্রবার অপরাধীর ফাঁসির সাজা দেয় আদালত।

English summary
Man gets quantam of punishmnt in Sealdah court for murder
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more