• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

শহরজুড়ে ‘বিপজ্জনক বাড়ির’ মালিকদেরই এবার জেলে পাঠানোর ভাবনা কলকাতা পৌরসভার

  • |

গত মাসেই মেট্রো বিপর্যয়ের পর থেকেই শহরের বিপজ্জনক বাড়ি গুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে জোরদার ভাবনা চিন্তা শুরু করেছিল কলকাতা পুরসভা। ইতিমধ্যে পুরসভার উদ্যোগেই বিপজ্জনক বাড়ি গুলির চিহ্নিতকরণের কাজও শেষ হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এর মধ্যে একাধিক বাড়িতে আবাসিক থাকলেও বাড়িগুলি যে প্রায় বসবাস অযোগ্য অবস্থায় রয়েছে সে কথা আগেই জানিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। সূত্রের খবর সেই মতো ওই বাড়ির আবাসিকদের অন্যত্র বাসস্থানের খোঁজ চালানোর পাশাপাশি পুনর্বাসনের কথাও বলে পৌরসভা।

শহরজুড়ে ‘বিপজ্জনক বাড়ির’ মালিকদেরই এবার জেলে পাঠানোর ভাবনা কলকাতা পৌরসভার

অন্যদিকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও ওই সমস্ত বাড়ির মালিক বা দখলদাররা পৌরসভার কোনও নির্দেশেই কর্ণপাত করছেনা বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়। এবার তাদেরই বাগে আনতে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে কলকাতা পৌরসভা। কলকাতা পৌরসভার তরফ বলা হয়, অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় থাকা বাড়ি গুলির শীঘ্রই সঠিক ভাবে মেরামতের সাথে সাথে সেখানের আবাসিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করারও প্রয়োজন রয়েছে। এই জন্য একাধিকবার ওই বাড়ির মালিকদেরও সাথেও কথা বলেছেন পৌরসভার আধিকারিকেরা।

এবার পৌরসভার নির্দেশ অমান্য করলে বাড়ির মালিক এবং দখলদারিদের বিরুদ্ধে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান আনতে প্রস্তুত কলকাতা পৌরসভার আবাসন দফতর। কলকাতা পুরসভার একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে এই ধরণের বিপজ্জনক বাড়ির সংখ্যা ২৫০০ টি, যার মধ্যে ৩০০ টি বাড়িকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত করেছে কলকাতা পুরসভা। অত্যন্ত বিপজ্জনক ও জরাজীর্ণ বাড়ি গুলিকে দ্রুত ভেঙে ফেলারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুরসভার তরফে। অন্যথায় বাড়ির মালিককে ১০,০০০ টাকা জরিমানা করা হবে বলেও জানা গেছে। পাশাপাশি দু হাজারের বেশি বিপজ্জনক বাড়ি গুলির ভেঙে পড়া অংশের সঠিক ভাবে মেরামত এবং তার আবাসিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে নির্দিষ্ট বাড়ির মালিককে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করা হবে বলেও খবর পুরসভা সূত্রে।

এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কলকাতা পুরসভার এক বরিষ্ঠ আধিকারিক বলেন, শুধুমাত্র ২০১৭ সালেই বাড়ি ভেঙে বা বাড়ির বিপজ্জনক অংশ ধ্বসে শহর জুড়ে প্রায় ২২ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এরপরও ওই ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি গুলির নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য প্রায় অনেক ক্ষেত্রেই কোনও পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি বাড়ির মালিক ও আবাসিক। এই সমস্ত বাড়ির মালিক ও আবাসিকদের কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে বাড়ি ছাড়ার ব্যাপারে নির্দেশ পাঠানো হলেও তাতে কোনও কাজ হয়নি বলেও জানান ওই সরকারি আধিকারিক।

এই বিষয়ে ২০১৭ সালের মার্চ মাসে বিধানসভায় কলকাতা পুরসভার সংশোধনী বিলটিও পাস হয়। বিলটিতে বলা হয়, এরপর থেকে বিপজ্জনক এবং জরাজীর্ণ বাড়ির মালিকরা ভাড়াটেদের পুনর্বাসন প্যাকেজ সহ সংস্কারের জন্য কলকাতা পৌরসভায় আবেদন করতে পারবেন।

অন্যদিকে কলকাতা পুরসভার আবাসন আইনের ৪০৪ ধারা অনুযায়ী, কলকাতা পৌর কমিশনার তাঁর বিশেষ ক্ষমতাবলে ওই সমস্ত বিপজ্জনক বাড়ি গুলি খালি করতে পারেন। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই পৌরসভা তার এই বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে তিলোত্তমার অনেক বিপজ্জনক বাড়িই খালি করেছে । অন্যদিকে মেট্রো বিপর্যয়ের পর প্রশাসনের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ রাখতেই তড়িঘড়ি তৃণমূল সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত বলেই মত বিরোধী শিবিরের একাংশের।

ফেসবুক-হোয়াটস অ্যাপে আর শেয়ার করতে পারবেন না ইচ্ছেমতো! রাশ টানছে কেন্দ্র

English summary
kolkata municipality has decided to take strict action against unsafe building owners
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more