করোনা আবহেই রাজ্যজুড়ে পরীক্ষায় বসলেন ৬ লক্ষ পরীক্ষার্থী, অনলাইন মোডে ঠিক কতটা সমস্যার সম্মুখীন হলেন
করোনা আবহে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের অন্তিম সেমেস্টারের পরীক্ষা কী ভাবে তা নিয়ে জটিলতা চলছিল। যা নিয়ে একাধিক বার ইউজিসির সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে দেথা যায় রাজ্যকেও। মহামারীকালে পরীক্ষা নেওয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দেন দেশের একটা বড় অংশের পড়ুয়ারা। এমতাবস্থায় ইউজিসির নির্দেশিকা মেনেই অবশেষে ১লা অক্টোবর থেকে কলকাতা ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়ে গেল স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পরীক্ষা। গোটা প্রক্রিয়াটাই সম্পন্ন হচ্ছে অনলাইন মোডে। করোনাকালে সংক্রমণ ঠেকাতে পড়ুয়াদের জন্য ঘরে বসেই পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয় কলেজ কর্তৃপক্ষগুলির তরফ থেকে।

এদিকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫২ টি কলেজের অধীনে ১০৪ টি বিষয়ের পরীক্ষা এদিন সকাল ১০টা নাগাদ শুরু হয় বলে জানান উপাচার্য সোনালী চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়। সময় ছিল দু-ঘন্টা। এদিকে একাধিক কলেজেই দিনের তিনটি সময়ে ভাগ ভাগে চলে গোটা প্রক্রিয়া। যাদবপুর সহ একাধিক কলেজেই ১০ টা, ১২ ও ২টো থেকে শুরু হয় বিভিন্ন বিষয়ের পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট আগে উত্তরপত্র দেওয়া হয় ছাত্র-ছাত্রীদের। এদিকে প্রথম দিনের পরীক্ষাগ্রহণ নির্বিঘ্নেই হয়েছে বলে জানাচ্ছেন যাদবপুর ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকেরা। এদিকে স্নাতকোত্তর মিলিয়ে রাজ্যে পরীক্ষার্থীর মোট সংখ্যা প্রায় লাখের কাছাকাছি।
এদিকে করোনা মহামারীর আবহে বাড়ি বসে পরীক্ষার আয়োজন করা হলেও শুরু থেকেই পড়ুয়াদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছিল উত্তরপত্র জমা দেওয়ার পদ্ধতি। একইসাথে গ্রামীণ এলাকার পরীক্ষার্থীদের পর্যান্ত ইন্টারনেটের যোগানও মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। যদিও আশঙ্কা সত্যি করে অনেক ক্ষেত্রে বিপাকে পড়েন পড়ুয়ারা। যদিও উত্তরপত্র জমা দেওয়ার জন্য প্রতিটা ছাত্রছা্ত্রীকেই আরও আধ ঘন্টার অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া হয় বলে খবর। ওই সময়ের মধ্যেই উত্তরপত্রের ছবি তুলে পিডিএফ ফাইলে তা কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে তা মেল করতে হয় পরীক্ষার্থীদের।












Click it and Unblock the Notifications