প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে রাজ্য
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে রাজ্য। রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করলেন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ।

মামলাকারী বিদেশ গাজীর সহ ১২জনের পক্ষের আইনজীবী আশীষ কুমার চৌধুরী আদালতে জানান, ন্যাশনাল স্কুল অফ টিচার এডুকেশন এর গাইডলাইন অনুযায়ী প্রতিবছর রাজ্যের শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য টেট পরীক্ষা নিতে হবে কিন্তু রাজ্য সরকার সেই NCTE গাইডলাইন না মেনে ২০১৪ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৬ বছর কোনো পরীক্ষা নেই। অথচ ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় যারা যোগ্যতার কারণে চাকরি পাননি তাদের পুনরায় নিয়োগের জন্য ২৩ শে ডিসেম্বর ২০২০ সালের বিজ্ঞপ্তি জারি করে। যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং ন্যাশনাল স্কুল অফ টিচার এডুকেশনের গাইডলাইনের পরিপন্থী।
মামলাশুনানি চলাকালীন রাজ্য সরকারের পক্ষের আইনজীবীর কাছে বিচারপতি জানতে চান, প্রতিবছর টেট পরীক্ষা না নিয়ে ১৬৫০০ শূন্য পদে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ রাজ্য সরকার করতে পারে কিনা অর্থাৎ প্রতিবছর টেট পরীক্ষা বাধ্যতামূলক কিনা, এবং ২০১৪ সালের টেট যারা দিয়েছিলো তারা আজ পর্যন্ত কোনো পাস সার্টিফিকেট পাইনি সেই ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার এনসিটিই-র গাইডলাইন না মেনে কোনো পাশ সার্টিফিকেট না দিয়েই তাদের কে নিয়োগ করতে পারে কি না?
আশীষ বাবু বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, এর আগে হাইকোর্টে অনেক মামলা হয়েছিল সেখানে হাইকোর্ট বার বার নির্দেশ দিয়েছিলো টেট যারা পাস করেছেন তাদের কে রাজ্য সরকার সার্টিফিকেট দিতে বাধ্য কিন্তূ সেই আদেশ রাজ্য সরকার আজ পর্যন্ত মানেনি। পাশাপাশি বিচারপতি সমাপ্তি চ্যাটার্জী এক নির্দেশে টেট সার্টিফিকেটে দেওয়া বাধ্যতামূলক বলে অর্ডার দিয়েছিলেন সেই নির্দেশে আজ পর্যন্ত রাজ্য মানেনি অথচ টেট সার্টিফিকেটে না দিয়ে ১৬,৫০০ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছেবলে অভিযোগ।
আগামী ১লা মার্চের মধ্যে হলফনামা জমা দিয়ে রাজ্য সরকার কে জানাতে হবে। প্রতি বছর টেট পরীক্ষা বাধ্যতামূলক কিনা? এবং এনসিটিই-র গাইডলাইন না মেনে পাশ সার্টিফিকেট না দিয়ে নিয়োগ করতে পারেন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ?












Click it and Unblock the Notifications