• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

২৯ মার্চ পর্যন্ত ফল না প্রকাশের নির্দেশ, ডিইএলইডি নিয়ে নয়া নির্দেশিকা আদালতের

  • By Oneindia Staff
  • |

৩ ফ্রেব্রুয়ারি রাজ্যের ১ লক্ষ ৬৯ হাজার শিক্ষককে ডিইএলইডি-র পরীক্ষাতে বসতেই হবে। কারণ, কলকাতা হাইকোর্টে ওই দিন পরীক্ষা না নেওয়ার উপরে কোনও স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করেছে। ফলে ৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষকদের সাড়ে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে টানা দুইটি পেপারের পরীক্ষা দিতে হবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণের এই দুই পরীক্ষা ২০ ও ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হলেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তুলে পরে তা বাতিল করে ডিইএলইডি-র নিয়ামক সংস্থা এনআইওএস।

২৯ মার্চ পর্যন্ত ফল না প্রকাশের নির্দেশ, ডিইএলইডি নিয়ে নয়া নির্দেশিকা আদালতের

শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের এজলাসে ফের ডিইএলইডি মামলাটি ওঠে। এমনিতেই ডিইএলইডি-র দুই পেপারের বাতিলের বিরোধিতা করে আগে থেকেই মামলা করে রেখেছিল শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চ। সেই মামলার শুনানি ফেব্রুয়ারি-র দ্বিতীয় সপ্তাহে হওয়ার কথাও ছিল। কিন্তু, শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চ রাজ্য সরকারের পরামর্শে বৃহস্পতিবার ফের মামলাটিকে মেনশন-এ নিয়ে আসে।

এদিন তারই শুনানি শুরু হলে এনআইওএস-এর পক্ষে সওয়াল করেন কেন্দ্রীয় সরকারের অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল কৌশিক চন্দ্র। রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করেন অ্য়াডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত এবং শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম।

পরীক্ষা বাতিল নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা এনআইওএস-এর সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেন রাজ্য সরকারের অ্যাডভোকেট জেনারেল। শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের আইনজীবী ফিরদৌস সামিম পরীক্ষা বাতিলের বিষয়টি-কে ভুল সিদ্ধান্ত বলে দাবি করে ৩ তারিখের পরীক্ষার উপরে স্থগিতাদেশ চান।

বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় অবশ্য ৩ তারিখের পরীক্ষার উপরে স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করেন। তবে, এনআইওএস-কে প্রশ্নপত্র ফাঁসের পক্ষে যথাযথ প্রমাণ পেশের নির্দেশ দেন। এদিন আদালতের সামনে অ্য়াডিশনাল সলিসিটর জেনারেল কোনও প্রমাণ পেশ করতে পারেননি। যার জন্য ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আদালতের কাছে এই এফিডেভিট জমা করতে নির্দেশ দেন বিচারপতি। রাজ্য সরকারকেও এই নিয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এফিডেভিট জমা করতে নির্দেশ দেন তিনি। এই দুই এফিডেভিট নিয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি শুনানি হবে এবং ওই দিন-ই কোনও চূড়ান্ত রায় আদালত দিতে পারে।

এই ক্ষেত্রে অবশ্য এনআইওএস এখন বিপাকে। কারণ আদালত পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে ৩ ফেব্রুয়ারি ডিইএলইডি-র ৫০৬ ও ৫০৭ নম্বর পেপারের পরীক্ষা নেওয়া হলেও তাকে এখুনি বৈধ বলা যাবে না। এমনকী, ২০ ও ২১ ডিসেম্বর এই ৫০৬ ও ৫০৭ নম্বরের পরীক্ষা নিয়ে পরে যে তা বাতিল করা হয়েছে তাকেও কোনওভাবে অবৈধ বলতে পারবে না এআইওএস। ১৮ তারিখে শুনানির পর আদালত সিদ্ধান্ত নেবে কোন দিনের পরীক্ষা বৈধ এবং কোনটা অবৈধ। এমনকী, ২৯ মার্চ পর্যন্ত ডিইএলইডি-র পরীক্ষার ৫০৬ ও ৫০৭ নম্বর পেপারের ফল ঘোষণা করা যাবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এদিকে, ৩১ মার্চের মধ্যে ডিইএলইডি-র প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেট শিক্ষকদের জমা করতে হবে। না হলে চাকরি নিয়ে সমস্যায় পড়বেন এই রাজ্যের ১ লক্ষ ৬৯ হাজার শিক্ষক। পাশাপাশি কলকাতা হাইকোর্টের এই নির্দেশে সারা দেশে হওয়া ডিইএলইডি-র পরীক্ষার ৫০৬ ও ৫০৭ নম্বর পেপারের ফল প্রকাশ আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয় ডিইএলইডি-র ফল প্রকাশ দেশে জুড়েই স্থগিত হয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন:ডিইএলইডি নিয়ে কেন্দ্রের উপরে ক্ষুব্ধ রাজ্য, নতুন করে মামলা, ৩ তারিখের পরীক্ষায় প্রশ্ন]

শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের আইনজীবী ফিরদৌস সামিমও জানান, ১২ তারিখ ও ১৫ তারিখ যথাক্রমে কেন্দ্র ও রাজ্যকে হলফনামা জমা দিতে হবে। এরপরই ডিইএলইডি-র দুটি পেপারের ফল নিয়ে একটা পরিষ্কার ছবি ১৮ ফেব্রুয়ারি সামনে আসতে পারে।

[আরও পড়ুন:মমতার রাজ্যে শিক্ষকদের মৃত্যু মিছিল, ডিইএলইডি পরীক্ষার চিন্তায় মৃত্যু দাবি সহকর্মীদের]

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে এনআইওএস-এর পূর্বাঞ্চল শাখার কর্তা রচনা ভাটিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের এজলাসের অন্তর্বর্তী নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করতে পারে এনআইওএস।

English summary
National Institute of Open Schooling can not publish the result of paer number 506 and 507 as Kolkata High Court gives interim order on result publishing. Though teacher has to seat on 3 February examination.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more