• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মৃতদেহ আটকে রাখার অভিযোগ সরকারি হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের বিরুদ্ধে

কলকাতা, ১৮ মার্চ : এবার অভিযোগ উঠল সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধেই। মৃতদেহ আটকে রাখার অভিযোগে তুলকালাম হাসপাতাল। অভিযোগে তির জুনিয়র ডাক্তারদের দিকে। আর এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা পার্কসার্কাসের ন্যাশনাল মেডিকেলে। জুনিয়র ডাক্তারদের পাল্টা অভিযোগ, রোগীর পরিজনরা জুনিয়র চিকিৎসকদের মারধর করাতেই দেহ আটকে রাখা হয়েছিল।

শুক্রবার রাতে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ন্যাশনাল মেডিকেলে ভর্তি হন পাপড়ি চট্টোপাধ্যায় নামে এক রোগী। রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে রোগীর পরিবারের লোকজন জুনিয়র ডাক্তারদের উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ। অভিযোগ তাদের মারধরও করা হয়। প্রতিবাদে সরব হয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা দেহ আটকে রেখে দেন। রোগীর পরিজন ও জুনিয়র ডাক্তারদের এই লড়াইয়ের জেরে শনিবার দিনভর ব্যাহত হয় হাসপাতালের স্বাভাবিক কাজকর্ম। শিকেয় ওঠে পরিষেবা।

মৃতদেহ আটকে রাখার অভিযোগ সরকারি হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের বিরুদ্ধে

এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই জুনিয়র ডাক্তাররা দেহ ছেড়ে দেন। কিন্তু দেহ আটকে রাখার মতো অমানবিক ঘটনায় সমালোচিত হন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী যখন দেহ আটকে রাখা যাবে না বলে বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ফরমান জারি করেছেন, তারপরই সরকারি হাসপাতালে এই দেহ আটকে রাখার ঘটনা অস্বস্তি বাড়াবে স্বাস্থ্যমহলে।

এদিন দেহ নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখান রোগীর বাড়ির লোকজনেরা। জুনিয়র ডাক্তাররা পরিবারের তিনজনেক আটকে রেখে দেহ ছাড়ে বলে অভিযোগ। তাদের ছেড়ে দেওয়ার দাবিতে দেহ নিয়ে চলে বিক্ষোভ। দফায় দফায় বিক্ষোভে হাসপাতাল চত্বর বারে বারে অশান্ত হয়ে ওঠে।

lok-sabha-home
English summary
Junior doctors detain dead body of patient, complained against government hospital.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more