• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

শহরে জোড়া খুন, গড়ফায় অসুস্থ গৃহবধূর মৃত্যুতে ঘণীভূত রহস্য, রাজাবাগানে খুন বালক

কলকাতা, ১২ এপ্রিল : শহের জোড়া খুনে চাঞ্চল্য। গড়ফায় খুন এক গৃহবধূ। এই খুনের ঘটনায় অভিযোগের তির স্বামীর দিকে। অপরদিকে রাজবাগানে খুন হল দশ বছরের এক বালক। অভিযোগ, তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত তার পিসি। স্বামী পরিত্যক্তা পিসি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তার জেরেই এই খুন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান।

গড়ফায় দীপা দাস নামে মহিলার খুনের ঘটনায় রহস্য ক্রমেই দানা বাঁধছে। আপাতভাবে এলাকাবাসী ও পুলিশের মনে হয়েছে দীপাদেবীর স্বামীই খুনের জন্য দায়ী। মৃতার ছেলেও বাবার দিকে আঙুল তুলেছেন। এমনকী স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর তিনি পুকুরে ঝাঁপ দেন বলেও অভিযোগ। ঘটনার পর থেকেই খোঁজ নেই দীপাদেবীর স্বামী কল্যাণকুমার দাসের। দীপাদেবীকে কে খুন করল, কেনই বা তাঁকে খুন হতে হল, তা নিয়ে রহস্য ক্রমশ ঘণীভূত হচ্ছে।

 গড়ফায় গৃহবধূর রহস্য-মৃত্যু, রাজাবাগানে খুন বালক

প্রতিবেশীরা জানান, দীপাদেবী অসুস্থ ছিলেন। ভালো হয়ে উঠছিলেন ক্রমশ। চলাফেরাও শুরু করেছিলেন। এমন সময়ই ঘটনা খুনের ঘটনা। স্বামী-সন্তান নিয়ে বেশ সুখী সংসার ছিল বলেই জানান স্থানীয়রা। তাহলে কী এমন ঘটল যে, তাঁকে খুন হতে হল? কিছুতেই মেলাতে পারছেন না প্রতিবেশীরা। পুলিশও ধন্দে পড়েছে এই খুনের তদন্তে। দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তে। মৃতার স্বামীরও খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

রাজাবাগানে বালক খুনের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পিসি মানসিক অবসাদ থেকেই এই খুন করেছে বলে মনে করছে পুলিশ। স্বামীর সংসার ত্যাগ করে চলে আসা নিয়ে ভাইয়ের সঙ্গে বিবাদ চলছিল। তার জেরেই এই খুন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। গত রাতেও তাদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হয়। সকালে ঘর থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয় ভাইপোর। তদন্ত শুরু হয়েছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সমস্ত কারণ। পিসিকে আটক করেছে পুলিশ। 

More murder NewsView All

English summary
Housewife was died mysteriously at Garfa, a boy was killed at Rajabagan
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more