সরকারি কর্মচারীরাও বেঁকে বসলেন পঞ্চায়েত নির্বাচনে! আরও একটি মামলায় জড়াল রাজ্য

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    আরও পাকে পড়লে শাসক তৃণমূল। এবার খোদ রাজ্য সরকারি কর্মীরাই দাবি তুলে দিল কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর। শুধু দাবি তোলাই নয়, কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠনের তরফে মামলা করা হল কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন জনস্বার্থ মামলা রুজু করে শুক্রবার। এই মামলার শুনানি হবে আগামী শুক্রবার অর্থাৎ ২০ এপ্রিল।

    সরকারি কর্মচারীরাও বেঁকে বসলেন পঞ্চায়েত নির্বাচনে! আরও একটি মামলায় জড়াল রাজ্য

    [আরও পড়ুন:ভোটের মুখে বিজেপি প্রার্থীই যোগ দিলেন তৃণমূলে, অনুব্রত-র প্যাঁচে কুপোকাত মুকুল]

    রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলে অনেক নিশ্চিন্তে ভোটকর্মীরা কাজ করতে পারেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে তা সম্ভব হয় না। সরকারি কর্মচারী সংগঠের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়, লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচনে আমরা কাজ করেছি, আবার পঞ্চায়েত বা পুরসভা নির্বাচনেও রাজ করেছি। প্রথম ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয়বাহিনী থাকায়, যতটা নিশ্চিন্ত হওয়া যায়, পঞ্চায়েত বা পুরসভা ভোটের ক্ষেত্রে তা হয় না। ভয়ে ভয়ে কাজ করতে হয়।

    পঞ্চায়েত বা পুরসভা ভোটের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বেশি। রাজনৈতিক কর্মীরা একটা ভোট নিয়ে টানাটানি করে। তাই গন্ডগোলের আশঙ্কাও বেশি। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা মানে নিরাপত্তা আরও আটোসাঁটো হয়। তার উপর স্থানীয় প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে নেতা-কর্মীরা প্রভাব কাটানোর চেষ্টা করেন।

    এ প্রসঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের দাবি, তাঁদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। তাই তাঁরা নিরাপত্তা আর্জি জানিয়েছেন আদালতে। আদালতে জনস্বার্থে মামলা করেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে। এর আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে স্মারকলিপিও জমা দেন সংগঠনের সদস্যরা।

    [আরও পড়ুন:'হাত' নিয়ে টানাটানি কমিশনে, কংগ্রেসকে প্রতীকহীন করতে মানব-অঙ্গের তত্ত্ব বিজেপির]

    English summary
    Government employees files a case demanding the central forces in panchayat elections,

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more