• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

নিজের মেয়েকেই ‘সর্বনাশে’র পথে ঠেলে দিচ্ছে বাবা! বিয়ের নামে বিরাট চক্র ফাঁস

মেয়ের জন্য নাকি সুদূর আমেরিকায় অপেক্ষা করছেন এক ছেলে। তাঁদের বিয়ে হবে, সেই কারমেই গুজরাত থেকে কলকাতায় ছুটে এসেছিলেন বাবা। মেয়েকে পাঠাবেন মার্কিন মুলুকে। মেয়েকে সেখানে থাকবেন রানির মতো। কিন্তু তাঁর সেই চেষ্টা সফল হল না। গোয়েন্দা তৎপরতায় নাবালিকা পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়ে গেল।

মেয়েকে ‘সর্বনাশে’র পথে ঠেলে দিচ্ছে নিজের বাবা-ই! বিয়ের নামে বিরাট চক্র ফাঁস

কলকাতার নাসিরের হাতে নাবালিকা মেয়েদের তুল দিতে এসেছিল মুকেশ ভাই দর্জি। তিনি গুজরাটের বাসিন্দা। আর যে তিন নাবালিকাকে নিয়ে তিনি এসেছিলেন, তাদের মধ্যে ছিল মুকেশ ভাইয়ের নিজের নাবালিকা কন্যাও। মেয়েকে মুকেশ বুঝিয়ে ছিল, আমেরিকায় তার বিয়ে হবে। সেখানে তার জন্য অপেক্ষা করছে ভবেশ নামে এক যুবক।

কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পরই সন্দেহ হয়েছিল কলকাতা পুলিশের। তখন থেকেই ট্রাকে রাখছিল মুকেশ ও তিন নাবালিকাকে। গোয়েন্দাদের সন্দেহ যে সঠিক ছিল, তা প্রমাণিত হয় অচিরেই। আসলে কলকাতার নাসিরের হাতে নাবালিকাদের তুলে দিতে এসেছিল মুকেশ। গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল আমেরিকায় নাবালিকা পাচারের ট্রানজিট পয়েন্ট হল কলকাতা। গত দু বছরে কলকাতা হয়ে ১৩ জন নাবালিকা পাচার হয়েছে আমোরিকায়। আর এই চক্রের পাণ্ডারা ছড়িয়ে রয়েছে কলকাতা থেকে আমেদাবাদে।

[আরও পড়ুন:গণধর্ষণের পর বিয়ে ঘিরে ব্ল্যাকমেল! ফেসবুক-বন্ধুর 'কীর্তি' ঘিরে চাঞ্চল্য ]

কলকাতা পুলিশ মুকেশকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, এই জাল বহুদূর পর্যন্ত ছড়ানো রয়েছে। গ্রেফতার হয়েছে নাসিরও। মুকেশ ও নাসিরকে জেরা করে ময়ূর ব্যস নামে আরও এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই চক্রে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারের ফাঁদ পেতেছেন গোয়েন্দারা।

[আরও পড়ুন:বউ অদল-বদল করাই নাকি পারিবারিক রীতি! বালিগঞ্জের ঘটনায় চাঞ্চল্য, গ্রেফতার ২]

English summary
Father is arrested alleged of trafficking of own daughter. Kolkata detectives arrest him and leaks the gang of traffickers
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more