• search

শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ বাড়াল রাজ্য! নির্বাচনের মুখে নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে বিতর্ক

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    রাজ্যে যখন ভোট প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত নেতা-মন্ত্রীরা, তখন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকদের বিক্ষোভে অস্বস্তি বেড়েছিল শাসকদলের। সেই অস্বস্তি দূর করতে চটজলদি কম্পিউটার শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল শিক্ষা দফতর। পঞ্চায়েত ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর কোড অফ কন্ডাক্টের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে তৈরি হল বিতর্ক।

    শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ বাড়াল রাজ্য! নির্বাচনের মুখে নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে বিতর্ক

    [আরও পড়ুন:লালবাজারে তিন ঘণ্টা ধরে শামি ও তার দাদাকে জেরা, রেকর্ড হল বয়ান ]

    বিরোধীদের অভিযোগ শিক্ষা দফতরের এই সিদ্ধান্তে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আচরণ বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে। ভোট-ব্যাঙ্কের দিকে চেয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির। প্রায় ১২০০ চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক দাবি জানান, অবিলম্বে তাঁদের কাজ ফিরিয়ে দিতে হবে। সেইসঙ্গে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরি সুনিশ্চিত করার দাবিও ওঠে। এবং এই প্রকল্পকে রাজ্য সরকারের আওতায় আনতে হবে বলেও দাবি তোলেন চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকরা।

    শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় শিক্ষকদের বিক্ষোভ অবস্থানে হাজির হয়ে বলেছিলেন, তিনি শীঘ্রই ইতিবাচক কিছু ব্যবস্থা করবেন। তাঁর আশ্বাসে বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী তাঁর দেওয়া কথামতোই শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শিক্ষা দফতর ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। শিক্ষা দফতরের এই সিদ্ধান্তে খুশি চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকরা। তবে অন্যান্য দাবিগুলি নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানান তাঁরা।

    [আরও পড়ুন: ভোটের জট খুলল না, পঞ্চায়েত মামলার রায়দান পিছনোয় বিপাকে রাজ্য সরকার]

    English summary
    Education department decides to increase the job term of contractual computer teachers. They shows agitation in front of house of Partha Chatterjee

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more