• search

চিকিৎসকদের অবহেলায় হাত হারাতে বসেছে ১১ বছরের বালক, এনআরএসে গাফিলতি

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    কলকাতা, ২০ মার্চ : চিকিৎসায় গাফিলতি ও চিকিৎসকদের চূড়ান্ত অবহেলায় হাত হারাতে বসেছে বছর ১১-র এক বালক। এবার কাঠগড়ায় সরকারি হাসপাতাল। নির্মম গাফিলতির এই চিত্র এনআরএস-এ। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বালককে ৮দিন বিনা চিকিৎসায় ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ। এখন চিকিৎসকদের এই অবহেলার চরম মাশুল দিতে হতে পারে তাঁকে। পরিবারের পক্ষ থেকে এন্টালি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    বেলঘরিয়ার বাসিন্দা রাকেশ মণ্ডল। বছর ১১-র বালক। ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুতের ওভারহেড তারে হাত লেগে যায়। তার ফলে পুড়ে যায় রাকেশের ডান হাত। তাকে প্রথমে সাগর দত্ত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেক তাকে রেফার করা হয় এনআরএস-এ। গত ৫ মার্চ তাকে আইসিইউ-তে ভর্তি করা হয়। ১১ মার্ত জেনারেল বেডে দেওয়ার পর থেকেই একপ্রকাশ বিনা চিকিৎসায় পড়ে রয়েছে সে।

    চিকিৎসকদের অবহেলায় হাত হারাতে বসেছে ১১ বছরের বালক, এনআরএসে গাফিলতি

    অভিযোগ, এরই মধ্যে চিকিৎসকরা হাতের যে অংশে অস্ত্রোপচার করেছেন, সেই অংশ ড্রেসিং পর্যন্ত করা হয়। পুঁজ, রক্ত জমে রয়েছে। এখন চিকিৎসকরা বলছেন, তার হাত বাদ দিতে হবে। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের চিকিৎসকদের গাফিলিতেতই হাত হারাতে চলেছে রাকেশ। চিকিৎসকরা এখন দায় এড়াতে চাইছেন। রাকেশের দাদুর অভিযোগ, ৮ দিন বিনা চিকিৎসায় ফেলে রেখে ১১ বছরের একটা ছেলেকে অঙ্গহানির দিকে ঠেলে দিয়েছে হাসপাতাল।

    English summary
    Due to negligence of doctors in NRS 11-year-old boy are going to lose his hand.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more