• search

মেট্রো আলিঙ্গন বিতর্কে নয়া ট্রেন্ড! বুড়ো দেখলেই ধর, ফেসবুকে শ্বশুরের হয়ে পুত্রবধূর লড়াই

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    মনের কোনও জমে থাকা কথাকে বলে ফেলার আদর্শ জায়গা। এমনভাবেই এখন সোশ্যাল মিডিয়াকে দেখছে বিশ্ব। কিন্তু, এতে সমস্যা বাড়ছে বই কমছে না। যে কোনও মানুষ যে-কোনও কারোর সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ার দু'এক কথা লিখে দিলেই হল- হয়ে যাচ্ছে তুলকালাম। কারো সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যে কোনও অকাট্য প্রমাণ আছে কি না তার ধারও ধারা হচ্ছে না। এই সব পোস্ট এখন অাখ্যায়িত হচ্ছে 'ফেক নিউজ'হিসাবে। কিন্তু এই ফেক নিউজের নিশানা কতটা মারাত্মক রকমের তা এখন যেন টের পাচ্ছে বাঙালি। 

    ফেক নিউজ কি এখন টের পাচ্ছে বাঙালি

    [আরও পড়ুন:ব্যস্ত মেট্রোয় গো-বলয়ের খাপ পঞ্চায়েতের ছায়া! তরুণ-তরুণীকে ব্যাপক মারধর]

    বিশেষ করে মেট্রোয় আলিঙ্গনরত যুগলকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনার পর এখন বেছে বেছে বৃদ্ধাদের আক্রমণ করার অভিযোগ উঠেছে। সেদিনের ঘটনায় খানকতক অস্পষ্ট ছবি প্রকাশ পেয়েছিল। সেই ছবিতে মারমুখি কোনও বৃদ্ধের সঙ্গে ফেসবুক প্রোফাইলে বৃদ্ধের মুখায়ব মিলে গেলেই হল। তাহলেই নাকি সেই প্রোফাইল ট্যাগ করে দিয়ে চলছে অশ্রাব্য গালিগালাজ এবং কদর্য সব পোস্ট।

    এমনই এক পোস্টের প্রতিবাদ করে ফেসবুকে সরব হয়েছেন প্রিয়ঙ্কা অধিকারী। ফেসবুক পোস্টে প্রিয়ঙ্কার অভিযোগ মেট্রোয় যুগলের গণপিটুনির ঘটনায় তাঁর শ্বশুরকে দোষী হিসাবে চিহ্নিত করেছেন কয়েক জন। আর এরপরই তাঁর শ্বশুর পার্থপ্রতিম অধিকারীর প্রোফাইল মেট্রোর ঘটনায় দোষীদের তালিকায় ট্য়াগ করে দেওয়া হয়েছে। প্রিয়ঙ্কার অভিযোগ কোনও ধরনের প্রমাণ ছাড়াই তাঁর শ্বশুরের প্রোফাইলকে শেয়ার করে দেওয়া হয়েছে। গোটা ঘটনায় পরিবারের লোকজন আতঙ্কিত শুধু নন দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত বলেও ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করেছেন প্রিয়ঙ্কা অধিকারী। তিনি আরও জানিয়েছেন যে ঘটনার দিন সন্ধে থেকে বাড়িতেই ছিলেন পার্থপ্রতিম অধিকারী। তাহলে তিনি মেট্রোতে চড়লেন কখন? এমন প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।

    মেট্রোতে যুগলের সঙ্গে সেই রাতে যা ঘটেছে তার নিন্দাও করেছেন প্রিয়ঙ্কা। কিন্তু সেইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য পার্থপ্রতিম অধিকারী জানেন নিজের সম্মানটা বজায় রাখতে এবং ভাবতেও পারেন না মেট্রোতে এমন ঘটনাও ঘটতে পারে। প্রিয়ঙ্কা তাঁর পোস্টে জানিয়েছেন, যেভাবে পার্থপ্রতিম অধিকারীকে ভুল-ভালভাবে মেট্রোর ঘটনার ভিলেন বানানো হয়েছে তাতে গোটা পরিবার আতঙ্কিত। তাঁর আরও অনুরোধ যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কারোর সম্পর্কে লেখার আগে অন্তত একটু ভাবা হোক। একটু ভুল পোস্ট যে কোনও কারোকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে। এমনকী তাঁর চরিত্রকেও কলুষিত করতে পারে। একজন সচেতন মানুষ হিসাবে তিনি তাঁর শ্বশুরের সঙ্গে হওয়া ঘটনাকে কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বলেও জানিয়েছেন প্রিয়ঙ্কা। একজনের বিচারের দাবিতে অন্য কোনও নির্দোষকে কলুষিত করার অধিকার কারোর নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। অবিলম্বে তাঁর শ্বশুরের ফেসবুক প্রোফাইল শেয়ার বন্ধ করতে অনুরোধ রেখেছেন প্রিয়ঙ্কা। 

    ফেক নিউজ কি এখন টের পাচ্ছে বাঙালি

    [আরও পড়ুন:প্রতিবাদে 'হোক আলিঙ্গন'! মেট্রোয় 'নীতি পুলিশগিরি-র' প্রতিবাদ]

    প্রিয়ঙ্কার এই পোস্ট প্রমাণ করে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেড়ে চলা বিপদ 'ফেক নিউজ'-এর দাপটকে। কিছুদিন আগে ভাগাড়ের মাংসকাণ্ডেও কলকাতা শহরের বেশকিছু রেস্তোরাঁর নাম নিয়ে নানা কুরুচিকর পোস্ট হয়। এই সব পোস্টে যে সব অভিযোগ করা হয়েছিল তার স্বপক্ষে কতটা তথ্য-প্রমাণ আছে তা যাচাই হয়নি। এমনই এক ঘটনায় প্রবলই ক্ষুব্ধ হয়েছে 'মোমো-টোমো' বলে একটি রেস্তোরাঁর মালিক বাপ্পাদিত্য। তিনি এই নিয়ে ফেসবুক লাইভ করে প্রতিবাদও জানিয়েছেন। সেই ঘটনার কথা ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা অন্য একটি প্রতিবেদনে তুলেও ধরেছে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় 'ফেক নিউজ' নিয়ে ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার মামলায় নাম জড়িয়েছে ফেসবুক, টুইটার, গুগল-সহ একাধিক সংস্থার নাম। 'ফেক নিউজ' বন্ধ করতে ইতিমধ্যেই ফেসবুক ও গুগল বহু কড়া পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। এই 'ফেক নিউজ'-এর দাপটে কয়েক বছর আগে জার্মানিতে উদ্বাস্তু হয়ে আসা এক সিরিয়ান যুবক জঙ্গির তকমা পেয়ে গিয়েছিলেন। অনেক আইনি লড়াইয়ের পর সেই জঙ্গি তকমা তাঁর শরীর থেকে মুছেছে। কিন্তু, ফেসবুকে শুরু হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ। এর বিরুদ্ধেও আইনি লড়াই চলছে জার্মানিতে। সুতরাং, সোশ্যাল মিডিয়া আছে-বলেই যে কেউ মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলে যা ইচ্ছে কিছু লিখে পার পেয়ে যাবেন তা কিন্তু আর বেশিদিন চলবে না।

    English summary
    Priyanka Adhikary protests on Facebook post about her father in-law in Metro fiasco.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more