করোনা আক্রান্ত পক্ষাঘাতগ্রস্ত মায়ের সামনে পড়ে পুত্রের দেহ, চাঞ্চল্য ঠাকুরপুকুরে
করোনা আক্রান্ত পক্ষাঘাতগ্রস্ত মায়ের সামনে পড়ে পুত্রের দেহ, চাঞ্চল্য ঠাকুরপুকুরে
ফের এক মর্মান্তিক পরিণতির সাক্ষী থাকল শহর। পক্ষাঘাতগ্রস্ত মায়ের সামনে পড়ে পুত্রের দেহ। ঘটনা ঠাকুরপুকুরের।

সচেতনতা নিয়েই প্রশ্ন
দরকার ছাড়া বাইরে বেরোবেন না। বাড়িতে থাকুন, পরিবারের খেয়াল রাখুন। পাড়ায় কেউ করোনা আক্রান্ত হলে তাঁকে দূরে না সরিয়ে পাশে দাঁড়ান। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। করোনা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক প্রচারে এ সব কথা বলা হচ্ছে বারবার। কিন্তু কতজন তা মানছেন? কঠিন সময়ে মানুষের পাশে না থাকার আরও এক নজির এবার দেখা গেল ঠাকুরপুকুরের চন্দ্রপল্লীতে। মানুষ বেঁচে থাকতে সাহায্য পাচ্ছেন না প্রতিবেশীদের! মরণের পর এগিয়ে আসছেন পাড়ার চেনা মানুষগুলো! এমন করুণ ছবি ফের সামনে এসেছে চন্দ্রপল্লীর ঘটনায়।

করুণ পরিণতি
চন্দ্রপল্লীর বাসিন্দা কমল দে, বয়স ৫৩। তিনি ও তাঁর মা দুজনেই করোনা আক্রান্ত। করোনা প্রাণ কেড়ে নিল কমল দে-র। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে দেহ পড়ে রইল পক্ষাঘাতগ্রস্ত মায়ের সামনেই। প্রতিবেশীকে জানানোর পরিস্থিতিতেই ছিলেন না অসহায় মা। এমনই করুণ পরিণতি দেখে চাঞ্চল্য ঠাকুরপুকুরে।

প্রতিবেশীদের কথা
কমল দে বেঁচে থাকতে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেননি কেউ। প্রতিবেশীদের যখন ঘুম ভাঙল তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। প্রতিবেশীদের কথায়, গত সোমবার থেকে কমলবাবুকে কেউ বাড়ির বাইরে বা বাড়ির ভেতর ঢুকতে দেখেননি। এরপর সন্দেহ হতে থানায় খবর দেওয়া হয়। তালা ভেঙে ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ ঘরে ঢুকে দেখে কমলবাবুর দেহ পড়ে রয়েছে। পাশে অসুস্থ মা শুয়ে রয়েছেন।

করোনা আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু
জানা গিয়েছে, কয়েকদিন ধরে কমল দে ও তাঁর মা করোনায় আক্রান্ত। করোনার জেরেই মৃত্যু বলে তাই প্রাথমিক অনুমান। ঘটনার কথা জানাজানি হওয়ার প্রায় ৭ ঘণ্টা পর পৌরসভার লোকজন কমলবাবুর মাকে এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান। তারও দুই ঘণ্টা পর মৃতদেহটি নিয়ে যাওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications