• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    কংগ্রেস নেতা মানস ভুঁইঞ্যা 'প্রয়াত', নিঃশব্দে ঘোষণা 'উইকিপিডিয়া'-র

    • By Ritesh
    • |

    কলকাতা, ৫ এপ্রিল : কিছুদিন আগে তাঁকে মেরে ফেলার চক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের বাম-কংগ্রেস জোটপ্রার্থী তথা বিধায়ক মানস ভুঁইঞ্য়া। এবার তাঁকে একেবারে সরাসরি 'প্রয়াত' বলে ঘোষণা করল তথ্যপ্রদানকারী সাইট উইকিপিডিয়াও।

    কয়েকদিন আগে কংগ্রেসের মিছিলে হামলা চালায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। তারা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত বলে সরাসরি অভিযোগ করেন মানসবাবু। তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ সহ মেরে ফেলার চক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি।

    মানস ভুঁইঞ্যা প্রয়াত, নিঃশব্দে ঘোষণা 'উইকিপিডিয়ার

    আর এদিন একেবারে সরাসরি অথচ নিঃশব্দে তাঁকে 'প্রয়াত' ঘোষণা করে দিল উইকিপিডিয়া। গুগলে মানস ভুঁইঞ্য়া টাইপ করলেই প্রথমেই চলে আসছে মানসবাবুর নামে তৈরি উইকিপিডিয়ার সাইটের একটি অংশ। সেখানে চোখ রাখলেই দেখা যাচ্ছে মানসবাবুর সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ।

    তাতেও গুচ্ছের ভুল। লেখা রয়েছে, মানস ভুঁইঞ্য়া একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ। তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ ও জলসম্পদ দফতরের মন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি ক্ষুদ্র ও ছোট শিল্প দফতরেরও মন্ত্রী। (প্রসঙ্গত বহুদিন আগে তিনি এই দফতরের মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়েছেন)।

    এরপর লেখা রয়েছে, মানসবাবু জন্মেছেন ১৯৫১ সালের ১০ ডিসেম্বর। বিস্ময়ের এখানেই শেষ হলে তাও হতো। আশ্চর্যজনকভাবে মানসবাবুর মৃত্যুর দিন হিসাবেও দেওয়া রয়েছে ওই একই তারিখ। যা হল ১৯৫১ সালের ১০ ডিসেম্বর।

    অর্থাৎ মানসবাবু যেদিন জন্মেছেন, সেদিনই প্রয়াতও হয়েছেন। আজব এই ভুলটি উইকিপিডিয়ার মতো খ্যাতনামা সাইট কীভাবে করল তা অবশ্যই গবেষণার বিষয়। তবে কিছুদিন আগে মানসবাবু যে অভিযোগ করেছিলেন তাঁকে মেরে ফেলার চক্রান্ত হচ্ছে বলে, তা এদিন প্রমাণিত হয়েই গেল।

    English summary
    Congress leader cum MLA Manas Bhunia is dead, claims Wikipedia
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more