• search

পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ফেসবুকে আজগুবি পোস্ট! সিআইডি-র মুখোমুখি সাংসদ-পুত্র

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে উত্তর দিনাজপুরের সিপিএম সাংসদ মহম্মদ সেলিমের ছেলে রাসেল আজিজকে ভবানিভবনে ডেকে জেরা করল সিআইডি। এর আগে গত দিনতিন তাঁকে তলব করা হয়েছিল আইনি নোটিশ পাঠিয়ে। এদিন অবশ্য রাসেল সিআইডির তলব পেয়ে ভবানিভবনে আসেন এবং সিআইডজি জেরার মুখোমুখি হন।

    পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ফেসবুকে আজগুবি পোস্ট! সিআইডি-র মুখোমুখি সাংসদ-পুত্র

    সাংসদের ছেলের বিরুদ্ধে ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল ভোটের দিন। তারপর সিআইডি স্বত্বঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছিল। যদিও এই মামলাকে স্বত্বঃপ্রণোদিত মামলা বলতে রাজি নন সাংসদ-পুত্র আজিজ বা তাঁর আইনজীবী। তাঁদের কথায়, এই মামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কারণ যে পোস্টটি করা হয়েছিল, তার নিচে লেখা ছিল, পোস্টটি যাচাই করা নয়।

    [আরও পড়ুন:বিজেপির 'পাখির চোখ' লোকসভা! পঞ্চায়েতের 'ছবি'কে হাতিয়ার করে নয়া কৌশল মুকুলের ]

    উল্লেখ্য, ভোটের দিন উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর গুলিতে একজন প্রিসাইডিং অফিসার ও একদন পোলিং অফিসার খুন হন বলে একটি ফোসবুক পোস্ট করা হয়। সেই পোস্টটি করেন রাজেল আজিজ। তিনি পোস্টটির তলায় লিখে দেন, ঘটনাটি আনভেরিফায়েড অর্থাৎ যাচাই করা নয়। খানিক পরে তিনি আবার পোস্টটিই সরিয়ে দেন নিদের ফেসবুক পেজ থেকে।

    [আরও পড়ুন: তৃণমূলকে হারানোর 'কাণ্ডারি'ই মমতার দলে! মানবসেবাকে 'ধর্ম' মেনে শুভেন্দুর ডাকে সাড়া ]

    যেহেতু উত্তর দিনাজপুরের সাংসদের ছেলের পোস্ট, অতি স্বল্প সময়েই তা ছড়িয়ে পড়ে। এই বিভ্রান্তিমূলর পোস্টের পর এলাকা আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারত। আরও সন্ত্রস্ত হতে পারত। সেই কারণে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে রাসেলের বিরুদ্ধে মামলা করে সিআইডি। গত মঙ্গলবার এই মামলার তদন্তভার নেওয়ার পর থেকে রাসেলকে তিনবার তলব করা হয়। অবশেষে সোলিম পুত্র ভবানিভবনে গিয়ে সিআইডির মুখোমুখি হন। তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়।

    English summary
    CID has questioned to the son of CPM MP Mohammad Selim at Bhabani bhaban. He is questioned on charges of spreading rumor on Facebook about Pancahyat Election Violence

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more