একশো দিনের কাজে টাকা ফেরত চেয়ে চিঠি রাজ্যকে! ফের কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ফের কেন্দ্র ও রাজ্য সংঘাত বাধল। এবার দু-পক্ষের সংঘাতের কারণ একশো দিনের কাজ। একশো দিনের কাজের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশেই বিতর্কের সূত্রপাত। কেন্দ্র এই মর্মে রাজ্যের কাছে ১৮৬ কোটি টাকা ফেরত চেয়ে চিঠি দিয়েছে। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের অভিযোগ, একশো দিনের টাকা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক চিঠিতে উল্লেখ করেছে, একশো দিনের প্রকল্পে ব্যক্তিগত পুকুর খননের কাজে খরচ করা হয়েছে ওই ১৮৬ কোটি টাকা। সেই কারণেই ওই টাকা ফেরত চাওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের গ্রামোন্নয়ন দফতর এই চিঠির কড়া জবাব দিয়েছে। গ্রামোন্নয়ন দফতরের তরফে যুক্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, ওই টাকা ব্যক্তিগত কাজে খরচ হয়নি।

    একশো দিনের কাজে টাকা ফেরত চেয়ে চিঠি রাজ্যকে! ফের কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত

    একশো দিনের প্রকল্প নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার নানা নির্দেশিকা জারি করেছে নানা সময়ে। বর্তমানে রাজ্য সরকারকে টাকা না দিয়ে সরাসরি একশো দিনের কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হচ্ছে। এরপর কোন কোন ক্ষেত্রে একশো দিনের মজুরদের যুক্ত করা যাবে, সেই নির্দেশিকাও পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরের পক্ষ থেকে। সেখানেই উল্লেখ করা হয়েছে কোনও ব্যক্তিগত পুকুর খনন একশো দিনের প্রকল্পে করা যাবে না।

    একশো দিনের কাজে টাকা ফেরত চেয়ে চিঠি রাজ্যকে! ফের কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পরই শ্রমদিবস নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে বিতর্ক বাধে। কেন্দ্রীয় সরকার শ্রমদিবস কমিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলে রাজ্য। রাজ্য একশো দিনের কাজে চলতি আর্থিক বছরের লক্ষ্যমাত্রা চার মাসেই ছাপিয়ে গিয়েছে বলে জানায় গ্রামোন্নয়ন দফতর। এরই মাঝে রাজ্য ব্যক্তিগত কাজে এই টাকা খরচ করেছে বলে পাল্টা অভিযোগ তোলে কেন্দ্র। তাই সেই টাকা ফেরত চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়।

    English summary
    Central wants to return money of NREGA Project from WB government

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more