• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

শুধু ঘটা করে বেঙ্গল লিডস করলেই কি পশ্চিমবঙ্গের শিল্পভাগ্য ফিরবে?

  • |
mamata-bengal-leads
কলকাতা, অক্টোবর ১০: হলদিয়ার পর এবার রাজ্যের রাজধানী কলকাতাতেই ফিরছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের শিল্প সম্মেলন বেঙ্গল লিডস। সম্প্রতি রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা মঙ্গলবার রাজ্যের নতুন প্রশাসনিক ভবন নবান্নতে মিলিত হয়ে ঠিক করেন যে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসেই এই সম্মেলন হবে এবং তা খুব সম্ভবত মিলনমেলা প্রাঙ্গনেই হবে।

সম্মেলনের থিম কী হবে তা এখুনি ঠিক হয়নি এবং এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নেবেন বলে জানা গিয়েছে।

এ বছরের বেঙ্গল লিডস আয়োজিত হয় হলদিয়া শহরে এবং বিরোধীদের মতে তা হয় মুখ্যত গত বছরের শেষের দিকে এবিজি কান্ড নিয়ে সরকারের অস্বস্তি কাটানোর জন্যে। যে কারণে এই সম্মেলন আয়োজন করা, সেই শিল্পেরই কোনও আগমন ঘটেনি পশ্চিমবঙ্গে। তৃনমূল সরকার যদিও এই যুক্তি মানতে নারাজ। কয়েকমাস আগে মুম্বাইতে আয়োজিত এক শিল্প সম্মেলনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন বড় শিল্পপতিরা। রাজ্য সরকারের মতে তা ইতিবাচক এবং আগামী বছরের বেঙ্গল লিডসেও এর প্রতিফলন ঘটবে।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ক্ষমতায়ে আসার আড়াই বছর পরেও কেন মমতা সরকার শিল্প আনতে ব্যর্থ? মুখ্যমন্ত্রী কে সম্প্রতিও দেখা গেছে শিল্পমন্ত্রীর উপর বিরক্তি প্রকাশ করতে। তাহলে কি রাজ্য সরকারের শিল্পনীতিতেই কি কোনওরকম সমস্যা রয়ে গিয়েছে?

আসলে মমতা সরকার শিল্পনীতি নিয়ে বিশেষ ভাবিতই নয় কারণ তার কাছে শিল্পের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন যার, সেই মধ্যবিত্তের গুরুত্ব প্রধান নয়, অন্তত নির্বাচনের নিরিখে। মমতাদেবী খুব ভালো করেই জানেন যে ভোটের অঙ্ক মেলাতে যাদের সমর্থন তাঁর প্রয়োজন, সেই জনগোষ্ঠীকে কাছে পেতে দলতান্ত্রিক কার্যকারবারই যথেষ্ঠ। মমতা এবং তাঁর দলের নেতাদের ক্ষমতায়ে টিকে থাকার জন্যে কট্টর বামবিরোধী আস্ফালন এখনও বেশ কার্যকর, অন্তত গ্রামবাংলার পথেঘাটে যেখানে মানুষজন এখনও ৩৪ বছরের বাম কুশাসনের বিভীষিকাকে মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারেননি।

এককালে যে 'টিনা ফ্যাক্টর'-এর দৌলতে বামশাসকরা পশ্চিমবঙ্গে তাঁদের রাজত্বকে দীর্ঘায়িত করেছিল, আজকের তৃনমূল নেতৃত্বও সেই একই প্রক্রিয়ার সাহায্যে শাসনযন্ত্রকে নিয়ন্ত্রিত করছে। ছত্রভঙ্গ বিরোধীদের চেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও রাজ্যের এক বড় অংশের মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য। সুতরাং, যখন সমর্থন এক প্রকার নিশ্চিত, তখন অর্থনৈতিক বিকাশ কিংবা প্রশাসনিক উন্নয়নের তাগিদ স্বাভাবিক নিয়মেই কমে যায়। অতীতের বামেরা এই একই নীতি মেনে ফল পেয়েছিল আর এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলও ব্যাতিক্রম নয়।

জনমোহিনী নীতিই যে দলের বা নেতৃত্বের কাছে রাজনীতির প্রধান হাতিয়ার, তাদের কাছে শহুরে মধ্যবিত্তর হতাশা বিশেষ আর কিছু পাওয়ার নেই। কারণ আজকের দুনিয়ার শিক্ষিত এবং বিশ্বায়িত শহুরে মধ্যবিত্তর কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক এবং পরিষেবাগত উন্নয়ন। ভারতের সারবত্তাহীন জনমোহিনী রাজনীতির কান্ডারীদের, যাদের রাজনৈতিক পরিভাষাযে অর্থনৈতিক বিকাশের বিশেষ কোনো উল্লেখ থাকে না, তারা কি পারবে তারুণ্য এবং তার অগ্রগতির পথ প্রশস্ত করতে? সম্ভাবনা কম।

সুতরাং, আগামীদিনের বেঙ্গল লিডস সম্মেলন পশ্চিমবঙ্গকে কতটা ঠিক রাস্তায়ে এগিয়ে দিতে পারবে, সে সম্পর্কে সন্দেহ থেকেই যায়।

English summary
The next year's Bengal Leads programme will be held in Kolkata. But is an event enough for industrialisation?
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more