ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

১০ দিনের মাথায় শহরে ফের ভেঙে পড়ল 'বিপজ্জনক বাড়ি', মৃত দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    দশদিনের মাথায় শহরে ফের ভেঙে পড়ল বিপজ্জনক বাড়ির একাংশ। মৃত্যু হল এক দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর। শনিবার ভোরে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে টালা পোস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায়। মৃত ছাত্রীর নাম পুজা কুমারী গুপ্তা বলে জানা গিয়েছে।

    [আরও পড়ুন:বড়বাজারে 'বিপজ্জনক বাড়ি' ভেঙে মৃত একই পরিবারের ৩জন]

    ১০ দিনের মাথায় শহরে ফের ভেঙে পড়ল 'বিপজ্জনক বাড়ি', মৃত দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর রাতে একতলা বাড়িটির ছাদের একাংশ আচমকাই ধসে পড়ে। বাড়ি ভেঙে পড়ার শব্দ পেয়ে প্রায় সবাই রাস্তায় বেরিয়ে এলেও ১৭ বছরের ওই ছাত্রী আটকে পড়েন ধ্বংসস্তুপে। তাঁকে উদ্ধার করে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়েই উদ্ধার কাজে নামে দমকল ও কলকাতা পুরসভার বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় কাউন্সিলর ও টালা থানার পুলিশও।

    ১০ দিনের মাথায় শহরে ফের ভেঙে পড়ল 'বিপজ্জনক বাড়ি', মৃত দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী

    ২০০১ সালেই টালা পোস্ট অফিস সংলগ্ন এই বাড়িটিকে কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে বিপজ্জনক ঘোষণা করে বোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও বাড়ির মালিক ও ভাড়াটেরা এই বাড়ি খালি করেননি বলেই অভিযোগ। এবিষয়ে বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হতে পারে। উল্লেখ্য গত ৫ই সেপ্টেম্বরই বড়বাজার এলাকার শিবতলা স্ট্রিটে একটি বহু পুরনো বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে একই পরিবারের ৩জনের মৃত্যু হয়। সেই বাড়িটিকেও পুরসভার পক্ষ থেকে বিপজ্জনক ঘোষণা করা হয়েছিল।

    English summary
    An another old building at Kolkata collapses this morning, one student Puja Kumari Gupta died, the building was declared as unsafe by KMC

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more